শান্তি কমিটি : অশান্তির আগুনে পুড়িয়েছে

‘বিহারি ও উগ্র হিন্দুবিদ্বেষী কিছু বাঙালিকে নিয়ে অফিসিয়ালি (সরকারিভাবে) গঠন করা হয় শান্তি কমিটি। এরা কিছু সরকারি দায়িত্বও পালন করে।’ একাত্তরের ২২ সেপ্টেম্বর মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) এক রিপোর্টে এ কথা বলা হয়। এর আগে সে বছরের ২৯ জুলাই ওয়াশিংটনে হেনরি কিসিঞ্জারের নের্তৃত্বাধীন সিনিয়র রিভিউ গ্র“পের জন্য প্রণীত একটি পেপারে শান্তি কমিটিকে সামরিক শাসনের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে একে বিলুপ্ত করার সুপারিশ করা হয়। সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধানের ল্েয ওই সুপারিশ করেছিল মার্কিনীরা।
১৯৭১ সালের ২৩ জুলাই ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এ সাংবাদিক পিটার আর ক্যান বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামী, শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে লিখেছিলেন, ‘পূর্ব পাকিস্তানের বেসামরিক প্রশাসনের ওপর সেনাবাহিনীর আস্থার ঘাটতি থাকায় তাদের মাথার ওপর ছড়ি ঘোরানোর মতা দিয়ে গঠন করা হয় শান্তি কমিটি। অবাঙালি বিহারি এবং মুসলিম লীগ ও জামায়াতে ইসলামীর মতো কিছু রণশীল ধর্মভিত্তিক ছোট রাজনৈতিক দলের লোকজনকে নিয়ে এ কমিটি গঠন করে সেনাবাহিনী। সশস্ত্র রাজাকার বাহিনীতে লোক রিক্রুট করার দায়িত্ব পালন করে এরা। শান্তি কমিটির সদস্যরা সেনাবাহিনীর এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। এরা বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু ও স্বাধীনতাপন্থী বাঙালিদের বাড়িঘর, দোকানপাট ও জমিজমা দখল করে নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়।’
বর্বর পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর পে এ দেশের মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী মানুষের পরিচয় জানা দুরূহ ছিল। এখানকার রাস্তাঘাটও তারা চিনতো না ঠিকমতো। এ কাজে তাদের সহযোগিতা করতো স্থানীয় দালালরা। এ দালালদেরই প্রথম সম্মিলিত সংগঠনের নাম শান্তি কমিটি। কুখ্যাত এ কমিটি গঠনের প্রস্তাবটি ছিল মূলত জামায়াতে ইসলামীর। একাত্তরের ৬ এপ্রিল তারা এ প্রস্তাব দিয়েছিল। এর পরদিনই জামায়াতের পত্রিকা দৈনিক সংগ্রাম-এ সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, ‘বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন নাগরিকদের সমন্বয়ে শান্তি কমিটি গঠন এেেত্র (জীবনযাত্রা স্বাভাবিক করা) খুবই সহায়ক হতে পারে। এ ধরনের শান্তি কমিটি দুষ্কৃতিকারীদের হাত থেকে শান্তিকামী নাগরিকদের জানমাল রা করতে পারবে।’ ওই সময় পাকিস্তানি সেনা ও তাদের দালালরা মুক্তিযোদ্ধাদের দুষ্কৃতকারী বলতো।
একাত্তরে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার ১০ দিনের মধ্যে ৪ এপ্রিল নূরুল আমিন, গোলাম আযম, খাজা খয়ের উদ্দিন প্রমুখ ডানপন্থি রাজনীতিক পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক ও গভর্নর ‘বেলুচিস্তানের কসাই’ নামে কুখ্যাত জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এর পরই তারা গঠন করেন শান্তি কমিটি।
প্রথমে ৯ এপ্রিল ঢাকায় খাজা খয়ের উদ্দিনকে আহ্বায়ক করে ১৪০ সদস্যের নাগরিক শান্তি কমিটি ( Citizen Peace Committee) গঠন করা হয়। এ কমিটি গঠন উপলে আয়োজিত সভার প্রস্তাবে বলা হয়, ‘এই সভা মনে করে যে, পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলে সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারী পাঠিয়ে হিন্দুস্তান বস্তুতপে পূর্ব পাকিস্তানীদের দেশপ্রেমকে চ্যালেঞ্জ করেছে। এই সভা আমাদের প্রিয় দেশের সংহতি ও মর্যাদা রার উদ্দেশ্যে এই চ্যালেঞ্জ সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলার জন্য দেশপ্রেমিক জনগণের প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছে।’ ১১ এপ্রিল দৈনিক পাকিস্তান, দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এ কমিটি গঠনের খবর। নামে শান্তি কমিটি হলেও শুরু থেকেই ওরা অশান্তির আগুন জ্বালাতে থাকে। শান্তি কমিটির প্রথম কর্মসূচি হিসেবে ১৩ এপ্রিল বায়তুল মোকাররম থেকে চকবাজার মসজিদ পর্যন্ত মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী মিছিলটি পুরান ঢাকার পধান সড়ক প্রদণি করে নিউমার্কেট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল-পরবর্তী সমাবেশশেষে ফেরার পথে আজিমপুর কলোনি, শান্তিনগর, শাঁখারিবাজার প্রভৃতি স্থানে মুক্তিকামী মানুষের ঘরবাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় ওই মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা। ওইদিন বেশ কয়েকজন নিরীহ বাঙালিকে হত্যাও করে তারা। ওইসব নিরীহ লোকদের হত্যার পর তাদের লাশ ফেলে রাখা হয় রাস্তার পাশে।
পরে ১৪ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কমিটির নতুন নাম দেওয়া হয় পূর্ব পাকিস্তান কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি ( Central Peace Committee for East Pakistan)। ওইদিন ২১ সদস্যের একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়, যাতে ছিলেন সৈয়দ খাজা খয়ের উদ্দিন (আহ্বায়ক), এ কিউ এম শফিকুল ইসলাম, গোলাম আযম, মাহমুদ আলী, আবদুল জব্বার খদ্দর, মওলানা সিদ্দিক আহমদ, আবুল কাশেম, মোহন মিয়া, মওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মাসুম, আবদুল মতিন, গোলাম সরওয়ার, আখতার উদ্দিন, পীর মোহসেন উদ্দিন, এ এস এম সোলায়মান, এ কে রফিকুল হোসেন, নুরুজ্জামান, আতাউল হক খান, তোহায়া বিন হাবিব, মেজর (অব) আফসার উদ্দিন, দেওয়ান ওয়ারেসাত আলী ও হাকিম ইরতেজাউর রহমান। পরদিন ১৬ এপ্রিল এ খবর ছাপা হয় পাকিস্তান অবজারভার ও দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। শান্তি কমিটির অফিস স্থাপন করা হয় মগবাজারে। এই কমিটি ঢাকার বিভিন্ন থানার জন্য জনসংযোগ অফিসার নিয়োগ দেয়; এরা হলোÑ লালবাগ থানার জন্য মাহবুবুজ্জামান, মসিহল ইসলাম (২৩ সেন্ট্রাল রোড) ও আবদুল খালেক এবং রমনা থানার জন্য ফজলুল হক (৩৭৫ উত্তর শাহজাহানপুর), মহি মইজুদ্দিন (১৫ দণি কমলাপুর) ও আবদুল হাই (২২৫ মালিবাগ)। শান্তি কমিটির কেন্দ্রীয় নেতারা বৈঠক করেন টিক্কা খানের সঙ্গে। বৈঠকে শান্তি কমিটির বিভিন্ন দাবি পূরণ করার আশ্বাস দেন টিক্কা খান। পরে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন শহর ও গ্রামে গঞ্জে সম্প্রসারণ করা হয় শান্তি কমিটির কার্যক্রম।
শান্তি কমিটিতে মুসলিম লীগ, জামায়াত ছাড়াও আরো কয়েকটি দলের নেতাকর্মীরা ছিল। এরা পাকিস্তানবাহিনীকে সহায়তা দিতে এবং স্বাধীনতাকামী বাঙালিদের খতম করতে যমদূত রাজাকার বাহিনী গঠনে ছিল তৎপর। রাজাকার বাহিনী সাধারণভাবে শান্তি কমিটির নেতৃত্বাধীন ছিল। প্রতিটি রাজাকার ব্যাচের ট্রেনিং শেষ হওয়ার পর শান্তি কমিটির স্থানীয় প্রধান তাদের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতো। ২৯ অক্টোবর ১৯৭১ তারিখের দৈনিক সংগ্রাম-এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে, ‘রাজশাহী জেলা কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির সম্পাদক জনাব আজিজুর রহমান আল-আমীনের সভাপতিত্বে গত সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে দু’শো রেজাকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।’ ‘কুষ্টিয়ায় মুজাহিদ ও রাজাকারদের কুচকাওয়াজ’ শিরোনামে ১৬ জুলাই ১৯৭১ তারিখের দৈনিক পাকিস্তান-এ প্রকাশিত একটি খবরে বলা হয়, ‘জেলা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান জনাব সাদ আহমদ ২ হাজার রাজাকারের অভিবাদন গ্রহণ করেন।’ একই পত্রিকায় ২৭ জুলাই ১৯৭১ তারিখে প্রকাশিত একটি সংবাদের শিরোনামই ছিল ‘ইসলামপুর শান্তি কমিটির সভায় রাজাকার বাহিনী গঠিত’।
অনেক েেত্র একই ব্যক্তি শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিল। কোনো কোনো েেত্র গণহত্যার নীলনকশা তৈরি করে তা বাস্তবায়নও করেছে শান্তি কমিটির লোকেরা। একাত্তরের ২৩ জুন রাজশাহীর পবা থানার হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন কাউন্সিল কার্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে হামলা চালানো হয় শান্তি কমিটি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে। দুজন মুক্তিযোদ্ধাকে ধরে তাদের ওপর চালানো হয় অকথ্য নির্যাতন। সে বছর দৈনিক সংগ্রাম-এ ১৫ জুলাই সাতীরা প্রতিনিধির পাঠানো এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘শান্তি কমিটির সদস্যরা দুষ্কৃতিকারীদের আটক ও শায়েস্তা করতে তৎপর রয়েছে।’
শান্তি ও ইসলামের দোহাই দিয়ে এই স্থানীয় ঘাতক ও দালালরা হানাদার বাহিনীর যোগসাজশে বাঙালির জীবনকে বিষিয়ে তুলে দেশটিকে বিরানভূমি বানাতে তৎপর ছিল। এ কাজে শান্তি কমিটির পাশাপাশি তারা পূর্ব পাকিস্তান শান্তি ও কল্যাণ কাউন্সিল নামেও এক সংগঠন দাঁড় করায়। এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা হলেনÑ মৌলভী ফরিদ আহমদ, নুরুজ্জামান, মাওলানা আবদুল মান্নœান, জুলমত আলী খান, এ কে এম মজিবুল হক ও ফিরোজ আহমেদ। পরে জেলা ও মহকুমা পর্যায়েও গঠন করা হয় কমিটি। এসব কমিটিকে স্থানীয় সামরিক কর্তৃপরে কাছে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে তথ্য সরবরাহের জন্য বিশেষভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২৭ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখের পাকিস্তান অবজারভার-এর খবর অনুযায়ী বিভিন্নœ এলাকায় কল্যাণ কাউন্সিল গঠনের দায়িত্ব যাদের দেওয়া হয় তারা হলো: বরিশালের আলহাজ মাওলানা বশিরুল্লাহ ও নূরুল ইসলাম সিকদার অ্যাডভোকেট; দিনাজপুরের মৌলভী মতিউর রহমান চৌধুরী ও মৌলভী আহমদ জান মোখতার; ঈশ্বরদীর (পাবনা) মমতাজুর রহমান; পটুয়াখালীর শামসুদ্দিন সিকদার (সাবেক এমএনএ)।
শান্তি কমিটি ও কল্যাণ কাউন্সিলসহ দালালদের সম্পর্কে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর তখনকার জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালিক পরে তার ‘উইটনেস টু সারেন্ডার’ বইয়ে লিখেছেন, ‘পশ্চিম পাকিস্তানী সৈন্যরা সন্দেহভাজন লোকদের চেহারা যেমন চিনতো না তেমনি অলিগলির নম্বরও (বাংলায় লেখা) পড়তে পারতো না। স্থানীয় লোকদের সহযোগিতার ওপর তাদের নির্ভর করতে হতো। বিপুল সংখ্যক বাঙালি তখনো আশান্বিত ছিল যে, মুজিব ফিরে আসছেন। ফলে তারা নিষ্ক্রিয় উদাসীন মনোভাব নিয়ে থাকতো। এ সময় যারা এগিয়ে আসেন তারা হলেন কাউন্সিল মুসলিম লীগের খাজা খয়ের উদ্দিন, কনভেনশন মুসলিম লীগের ফজলুল কাদের চৌধুরী, কাইয়ুম মুসলিম লীগের খান এ সবুর খান, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যাপক গোলাম আযম ও নেজামী ইসলাম পার্টির মৌলভী ফরিদ আহমদের মতো মুষ্টিমেয় কিছু ডানপন্থি। এদের সবাইকে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পরাজিত করে আওয়ামী লীগ। বাঙালিদের ওপর এদের প্রভাবও ছিল সামান্যই। সাধারণ মানুষের অনুভূতি ছিলÑ এরা সবাই অচল মুদ্রা।’
বইয়ে আরো বলা হয়েছে, ‘বাঙালিরা আগে থেকেই আমাদের পছন্দ করতো না। অপারেশনের সময় কিছু সৈনিকের লুট, হত্যা ও ধর্ষনের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের বাঙালি জনগণ থেকে আরো দূরে সরিয়ে দেয়।… সেইসব ব্যক্তিই আমাদের হাতে হাত মেলালোÑ যারা ইসলাম ও পাকিস্তানের নামে তাদের সবকিছুরই ঝুঁকি নিতে তৈরি ছিল। এ ব্যক্তিদের দুটি গ্র“পে সংগঠিত করা হয়। বয়স্ক ও নামী ব্যক্তিদের নিয়ে গঠন করা হলো শান্তি কমিটি, আর যারা তরুণ ও সুঠাম দেহের অধিকারী তাদের রিক্রুট করা হলো রাজাকার বাহিনীতে।’
সিদ্দিক সালিক আরো লিখেছেন, ‘এদের কেউ কেউ অবশ্য আওয়ামী লীগপন্থিদের সঙ্গে নিজেদের পুরনো বিরোধের প্রতিশোধ নিতে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগকে ব্যবহার করতো।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দালালরা কীভাবে উদ্দেশ্যমূলক বানোয়াট তথ্য সরবরাহ করে হানাদার বাহিনীকে দিয়ে দেশের বিভিন্নœ জনপদ ছারখার করিয়েছে সে বিবরণও আছে বইটিতে।
মেজর (পরে ব্রিগেডিয়ার) সিদ্দিক সালিক লিখেছেন, ‘একদিন একজন ডানপন্থী রাজনীতিক একটি তরুণকে সঙ্গে নিয়ে আসেন সামরিক আইন সদর দপ্তরে। বারান্দায় হঠাৎ তার সঙ্গে আমার দেখা। আস্থার সঙ্গে ফিসফিসিয়ে তিনি বললেন, বিদ্রোহীদের সম্পর্কে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু খবর আছে তার কাছে। আমি তাকে যথাযথ কর্তৃপরে কাছে নিয়ে গেলাম। সেখানে গিয়ে তিনি বললেন, তরুণটি তার ভাইয়ের ছেলে। সে বুড়িগঙ্গার ওপারে কেরানীগঞ্জে বিদ্রোহীদের বন্দিশিবির থেকে পালিয়ে এসেছে। তরুণটি বলল, বিদ্রোহীরা রাতে ঢাকা শহর আক্রমণ করার পরিকল্পনা করেছে। সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয় ওই বিদ্রোহীদের নির্মূল করতে অভিযান চালানোর। অভিযানে অংশগ্রহণকারী সৈনিকদের কমান্ডারকে ব্রিফ করা হলো।…প্রস্তুত করা হলো মর্টার, ফিল্ডগান আর রিকয়েলেস রাইফেল। সকাল হওয়ার আগেই এলাকাটি দখল করার জন্য সৈন্যরা সাঁড়াশি অভিযান চালাবে। আমি অপারেশন রুমে বসে সামরিক অভিযানের অগ্রগতি ল করছিলাম। সেখান থেকে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছিল গোলাবর্ষণের আওয়াজ।…সূর্যোদয়ের পরপরই শেষ হয় অপারেশন। নিশ্চিত হওয়া গেল যে নিজেদের পে কোনো হতাহত ছাড়াই সৈন্যরা ল্যকে শত্র“মুক্ত করেছে। অভিযানে নেতৃত্বদানকারী অফিসারের সঙ্গে দেখা করলাম সন্ধ্যায়। সে যা বলল তাতে আমার রক্ত হিম হয়ে গেল। দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে সে বলল, ওখানে কোনো বিদ্রোহী ছিল না। ছিল না কোনো অস্ত্রও। কেবল গ্রামের গরিব লোকেরা, যাদের অধিকাংশ নারী ও বৃদ্ধ, গোলার আগুনে পুড়ে দগ্ধ হয়েছে।’
এ ডানপন্থি রাজনীতিকরাই ছিলেন শান্তি কমিটির নেতা। এরাই ছিলেন ঘাতক রাজাকার বাহিনীর পৃষ্ঠপোষক। রাজাকার-আলবদররা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করলে ওই ঘাতকদের পুরস্কার দিত শান্তি কমিটি। একাত্তরের পত্রপত্রিকায় এর প্রমাণ রয়েছে। পাকিস্তান অবজারভার-এ প্রকাশিত খবরে জানা যায়, ৬ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের প্রতিরা দিবসে সিলেট জেলা শান্তি কমিটি আয়োজিত এক সমাবেশে রাজাকার আদম মিয়া, রাজাকার ওসমান গনি ও রাজাকার আবদুর রহমানকে তাদের ‘সাহসিকতার’ জন্য পুরস্কৃত করা হয়।
পত্রিকায় প্রকাশিত কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির তালিকায় নাম না থাকলেও নূরুল আমিন, মোনেম খান (মুসলিম লীগ), ফজলুল কাদের চৌধুরী, এ সবুর খান (সেক্রেটারি জেনারেল, কাইয়ুম মুসলিম লীগ), কাজী আবদুল কাদেরের (কাইয়ুম মুসলিম লীগ) মতো কয়েকজন নেতা সেনাবাহিনীর সঙ্গে শান্তি কমিটির সমন্বয় রার দায়িত্ব পালন করেছেন। নূরুল আমিনের নেতৃত্বেই শান্তি কমিটির নেতারা সাাৎ করেন টিক্কা খানের সঙ্গে।

কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি
০১. খাজা খয়ের উদ্দিন (সভাপতি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ)— আহ্বায়ক
০২. এ কিউ এম শফিকুল ইসলাম (কাউন্সিল মুসলিম লীগ)
০৩. গোলাম আযম (আমির, জামায়াতে ইসলামী, পূর্ব পাকিস্তান)
০৪. মাহমুদ আলী (পিডিপি)
০৫. আবদুল জব্বার খদ্দর (সহসভাপতি, পিডিপি)
০৬. মওলানা সিদ্দিক আহমদ (নেজামে ইসলাম)
০৭. আবুল কাসেম (কাউন্সিল মুসলিম লীগ)
০৮. ইউসুফ আলী চৌধুরী মোহন মিয়া
০৯. মওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মাসুম (সভাপতি, ইসলামী সংগ্রাম পরিষদ)
১০. আবদুল মতিন (মুসলিম লীগ)
১১. অধ্যাপক গোলাম সারওয়ার (জামায়াতে ইসলামী)
১২. সৈয়দ আজিুল হক নান্না মিয়া (পিডিপি)
১৩. পীর মোহসেন উদ্দিন দুদু মিয়া (সভাপতি, নেজামে ইসলাম, পূর্ব পাকিস্তান শাখা)
১৪. এ এস এম সোলায়মান (কৃষক শ্রমিক পার্টি)
১৫. এ কে রফিকুল হোসেন (পিডিপি)
১৬. নুরুজ্জামান (ইয়ং পাকিস্তান সম্পাদক)
১৭. অ্যাডভোকেট আতাউল হক খান (মুসলিম লীগ)
১৮. অ্যাডভোকেট ফজলুল হক চৌধুরী
১৯. মেজর (অব) আফসার উদ্দিন (এনডিপি)
২০. অ্যাডভোকেট এ টি সাদি
২১. অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান (পিডিপি)
২২. মকবুলুর রহমান
২৩. আলহাজ মোহাম্মদ আকিল (নেজামে ইসলাম)
২৪. প্রিন্সিপাল রুহুল কুদ্দুস (জামায়াতে ইসলামী)
২৫. মৌলভী ফরিদ আহমদ (পিডিপি)— সম্পাদক
২৬. আব্বাস আলী খান (জামায়াত)— সংগঠক
২৭. এ এন মল্লিকÑ সম্পাদক
২৮. মওলানা মিয়া মফিজুল হক
২৯. অ্যাডভোকেট আবু সালেক
৩০. অ্যাডভোকেট আবদুন নঈম
৩১. আলহাজ সিরাজুদ্দিন (মুসলিম লীগ)
৩২. সৈয়দ মোহসেন আলী
৩৩. ব্যারিস্টার আখতার উদ্দিন (কনভেনশন মুসলিম লীগ)
৩৪. তোয়াহা বিন হাবিব (খেলাফত আন্দোলন)
৩৫. হাকিম ইরতেজাউর রহমান আখুনজাদা
৩৬. দেওয়ান ওয়ারাসাত খান
৩৭. নূরুল হক মজুমদার (মুসলিম লীগ)— অফিস সেক্রেটারি
৩৮. মাহবুবুর রহমান গোরহা (জামায়াতে ইসলামী)— সহ-সভাপতি
৩৯. ফয়েজ বক্স (মুসলিম লীগ)
৪০. রাজা ত্রিদিব রায়
৪১. আবু সালেম
৪২. মো. আকিল
৪৩. এ নূরুল করিম
৪৪. ওয়াজিউল্লাহ খান
৪৫. আফতাব আহমেদ
৪৬. মকবুল ইকবাল
৪৭. আখতার হামিদ খান
৪৮. এ এন এম ইউসুফ (কনভেনশন মুসলিম লীগ)
৪৯. মাহবুবুল হক দোলন (কাইয়ুম মুসলিম লীগ)
৫০. কে জি করিম (মুসলিম ছাত্রলীগ)
৫১. এ কে এম মুজিবুল হক (মুসলিম লীগ)
৫২. জুলমত আলী খান (পিডিপি)
৫৩. অ্যাডভোকেট জলিল (পিডিপি)
৫৪. আবদুল খালেক (জামায়াত)
৫৫. মওলানা আবদুর রহিম
৫৬. আবদুল মতিন (মুসলিম লীগ)
৫৭. ওয়াহিদুজ্জামান ঠাণ্ডা মিয়া (কনভেনশন লীগ)
৫৮. মতিউর রহমান খান
৫৯. অ্যাডভোকেট ফিরোজ সিদ্দিকী

ঢাকা ও আশপাশের শান্তি কমিটির বিভিন্নœ ইউনিট প্রধানদের তালিকা
(২৬ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে পাকিস্তান অবজারভার ও ডেইলি মর্নিং নিউজ-এ প্রকাশিত)
মো. ফজলুর রহমান— তেজগাঁও পূর্ব ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
এস এম হাবিবুল হক— ধানমণ্ডি ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
এ আজিজ সরকার— নারায়ণগঞ্জ শহর শান্তি কমিটি
মো. মনসুর আলী— দিলকুশা ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
নোয়াব আলী আহসান— জোয়ারসাহারা ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
গিয়াস উদ্দিন আহমেদ— সরাফতগঞ্জ ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
ডা. মোহাম্মদ আইয়ুব আলী— খিলগাঁও ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
মৌলভী সেকান্দার আলী— নবীনগর থানা (কুমিল্লা) শান্তি কমিটি
আবদুল মজিদ সরদার— জয়দেবপুর থানা শান্তি কমিটি
মো. মস্তান খান— জয়দেবপুর থানা শান্তি কমিটি
ইদ্রিস বেপারী— রেকাবী বাজার ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
দেওয়ান ওয়ারাসাত আলী— মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
জি এ খান— দিলু রোড মহল্লা শান্তি কমিটি
মজিবুর রহমান— নিউ ইস্কাটন শান্তি কমিটি
এম এ খালেক— ধানমণ্ডি পূর্ব ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
এ কে এম আবদুল্লাহ খান— মহাখালী মহল্লা শান্তি কমিটি
একই দিনের পত্রিকায় মিরপুরে শান্তি কমিটি এবং ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে কল্যাণ কাউন্সিল গঠনের খবর প্রকাশিত হয়।
শান্তি কমিটি গঠন উপলে মিরপুর ১ নং সেকশন জামে মসজিদে এক সভা অনুষ্ঠিত হয় দেওয়ান ওয়ারাসাত হোসেন খানের সভাপতিত্বে। সভায় মো. সামিউদ্দিন খানকে আহ্বায়ক করে ৭৫ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির সদস্য আবুল কাসেম, মাহমুদ আলী, আবদুল জব্বার খদ্দর ও মেজর আফসার উদ্দিন।

জেলা, মহকুমা ও থানা শান্তি কমিটি
১১ মে দৈনিক সংগ্রাম ও পাকিস্তান অবজারভার-এ বেশ কয়েকটি জেলা শান্তি কমিটি গঠনের খবর ছাপা হয়। কমিটিগুলো নিুরূপ :
আজিজুর রহমান (সাবেক এমএনএ)— আহ্বায়ক কুমিল্লা জেলা শান্তি কমিটি
মওলানা এ কে এম ইউসুফ (সাবেক এমএনএ)— আহ্বায়ক খুলনা জেলা শান্তি কমিটি
সৈয়দ শামসুর রহমান (সাবেক এমসিএ)— আহ্বায়ক যশোর জেলা শান্তি কমিটি
সিরাজুল ইসলাম (সাবেক এমএনএ)— আহ্বায়ক রংপুর জেলা শান্তি কমিটি
একই দিনে কয়েকটি মহকুমা ও থানা কমিটির আহ্বায়কের নামও ছাপা হয় পত্রিকা দুটিতে। এরা হলো:
এম আবদুস সালাম (সাবেক এমএলএ)— আহ্বায়ক ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা শান্তি কমিটি
মৌলভী কাউচউদ্দিন— সভাপতি নাটোর মহকুমা শান্তি কমিটি
মৌলভী আবদুস সাত্তার খান চৌধুরী (সাবেক এমপিএ)— সম্পাদক নাটোর মহকুমা শান্তি কমিটি
ডা. শফিউদ্দিন আহম্মেদ— আহ্বায়ক নওয়াবগঞ্জ (ঢাকা) থানা শান্তি কমিটি
কবি বেনজির আহমেদ (সাবেক এমএনএ)— আহ্বায়ক আড়াইহাজার থানা শান্তি কমিটি
এছাড়া অ্যাডভোকেট নূরুল হক মজুমদার ও অ্যাডভোকেট এ কে ফজলুল হক চৌধুরীকে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলায় শান্তি কমিটি গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অ্যাডভোকেট জুলমত আলী খান ও এ কে এম মুজিবুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয় টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় শান্তি কমিটি গঠনের।

১২ মে ১৯৭১ তারিখে দৈনিক সংগ্রাম ও পাকিস্তান অবজারভার-এ আরো ২৫টি শান্তি কমিটির নেতাদের নাম প্রকাশিত হয়। এরা হলো :
১. আবদুর রাজ্জাক— আহ্বায়ক পুরানা মোগলটুলি ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
২. আবুল হোসেন— আহ্বায়ক কেন্দা ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
৩. হাজী আবদুস সামাদ বেপারী— আহ্বায়ক শুভাড্যা ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
৪. আবদুল ওয়াদুদ— আহ্বায়ক কালিন্দী ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
৫. আব্বাস উদ্দিন আহমদ— আহ্বায়ক যাত্রাবাড়ী ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
৬. মো. চাঁদ মিয়া— আহ্বায়ক দেওয়ান বাজার ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
৭. ইয়াকুব আলী— আহ্বায়ক সিদ্দিকবাজার ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
৮. মোহাম্মদ ইউসুফ— আহ্বায়ক মৌলভীবাজার ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
৯. হাফিজউদ্দিন আহমদ— আহ্বায়ক নারিন্দা ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১০. মোহাম্মদ সাখি— আহ্বায়ক জিন্দাবাহার ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১১. খন্দকার হাবিবুর রহমান— আহ্বায়ক ফরিদাবাদ ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১২. হাফিজ আবুল কাসেম— আহ্বায়ক আজিমপুর ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১৩. আজিজুর রহমান— আহ্বায়ক কাওয়ান্দিয়া ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১৪. আবদুল হালিম— আহ্বায়ক সাভার থানা শান্তি কমিটি
১৫. ফজলুুল করিম— আহ্বায়ক শ্যামপুর ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১৬. এ রহিম— আহ্বায়ক উয়ারী ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১৭. মুজিবুর রহমান মল্লিক— আহ্বায়ক টঙ্গীবাড়ী ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১৮. আলহাজ তাহের আহমদ— আহ্বায়ক আবদুল্লাহপুর ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
১৯. সিরাজুল ইসলাম মল্লিক— আহ্বায়ক টঙ্গীবাড়ী থানা শান্তি কমিটি
২০. সাইয়েদ মোহসেন আলী— আহ্বায়ক নবাবপুর ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
২১. মোহাম্মদ মোবারক হোসেন— আহ্বায়ক ইসলামপুর ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
২২. আবদুল মজিদ সরকার— আহ্বায়ক টঙ্গী ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
২৩. মোহাম্মদ হোসেন— আহ্বায়ক জিঞ্জিরা ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
২৪. মাহবুবুজ্জামান— আহ্বায়ক চকবাজার ইউনিয়ন শান্তি কমিটি
২৫. হাজী সলিমুল্লাহ মিয়া— আহ্বায়ক চুরিহাট্টা মহল্লা শান্তি কমিটি

একইসঙ্গে আবদুল হাকিম বিক্রমপুরীকে মুন্সীগঞ্জ মহকুমা শান্তি কমিটির আহ্বায়ক নিয়োগ করার কথাও উল্লেখ করা হয় ওই খবরে। একই দিনের দৈনিক সংগ্রাম-এ নারায়নগঞ্জ শহর কমিটি গঠনের খবর প্রকাশিত হয়। ওই খবরে বলা হয়, শহর কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হন এ আজিজ সরকার। এ ছাড়া ১২৪ সদস্যের ওই কমিটি পৌর এলাকার ১৪টি ইউনিয়ন কমিটির জন্য একজন করে আহ্বায়ক নির্বাচন করে। এরা হলো :
১. আলতাফ হোসেন— গোদনাইল    ২. এম বাসেত— হাজিগঞ্জ
৩. সুলতান খান— খানপুর        ৪. লতিফ সরদার— পশ্চিম খানপুর
৫. গোলাম রব্বানী খান— চাষাড়া    ৬. জহির হোসেন— দেওভোগ
৭. এস এ হালিম— নারায়নগঞ্জ    ৮. লাল মিয়া— শীতলা
৯. আব্দুল জলিল— পাইকপাড়া        ১০. এছাক মিয়া— সোনাকান্দা
১১. মোহাম্মদ আলী— বন্দর        ১২. আলহাজ এ লতিফ— কদম রসুল
১৩. মহিউদ্দিন আহম্মদ— নবীগঞ্জ    ১৪. আলহাজ আবদুর রফিক— ধামগড়

একাত্তরে ডেইলি মর্নিং নিউজ, পাকিস্তান অবজারভার, দৈনিক সংগ্রামসহ পত্রপত্রিকায় বিভিন্নœ এলাকার শান্তি কমিটির নেতা ও সদস্য হিসেবে আরো যাদের নাম ছাপা হয়েছে তারা হলো :
সিরাজ উদ্দিন (কনভেনশন লীগ)— সভাপতি, ঢাকা শহর শান্তি কমিটি
মনছুর আলী— সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা শহর শান্তি কমিটি
শেখ ঈমান আলী— শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, রায়েরবাজার, ঢাকা
এ বি এম খালেক মজুমদার (জামায়াত)— সদস্য, ঢাকা শহর শান্তি কমিটি
আশরাফুজ্জামান— সদস্য, ঢাকা শহর শান্তি কমিটি
সিরাজ মাস্টার— সাধারণ সম্পাদক, নবাবগঞ্জ (ঢাকা) শান্তি কমিটি
মাওলানা আহমদ উল্লাহ— শান্তি কমিটির সদস্য, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
আতাউদ্দীন— শান্তি কমিটির সদস্য, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
ইসলাম খান— শান্তি কমিটির সদস্য, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
জামশেদ আলী— সভাপতি, দিলকুশা থানা শান্তি কমিটি
আমীর বক্শÑ সম্পাদক, দিলকুশা থানা শান্তি কমিটি
ফখরুদ্দীন আহমেদÑ আহ্বায়ক, জেলা শান্তি কমিটি, ময়মনসিংহ
এম এ হান্নানÑ যুগ্ম-আহ্বায়ক, জেলা শান্তি কমিটি, ময়মনসিংহ
এডভোকেট শামছুদ্দিন আহমদ (বাঘমারা)Ñ সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, ময়মনসিংহ
এ কে মুজিবুল হকÑ আহ্বায়ক, মহকুমা শান্তি কমিটি, ময়মনসিংহ
কবিরাজ মোক্তার হোসেনÑ সম্পাদক, মহকুমা শান্তি কমিটি, ময়মনসিংহ
ফখরুদ্দিনÑ আহ্বায়ক, নতুন বাজার (ময়মনসিংহ) শান্তি কমিটি
এ ই বি রেজাÑ সেক্রেটারি, নতুন বাজার (ময়মনসিংহ) শান্তি কমিটি
এ খালেক নেওয়াজÑ নেতা, ময়মনসিংহ উত্তর মহকুমা শান্তি কমিটি
হাশমত আলীÑ  নেতা, ময়মনসিংহ উত্তর মহকুমা শান্তি কমিটি
মৃত গিয়াস উদ্দিন মাস্টারÑ শান্তি কমিটির সদস্য, বেলদিয়া, থানা-গফরগাঁও
মো. ফজলুর রহমান সুলতানÑ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, থানা-গফরগাঁও
মৃত মফিজ উদ্দিন চেয়ারম্যানÑ শান্তি কমিটির সভাপতি, থানা-গফরগাঁও
মৃত মাওলানা আবদুল বাতেনÑ শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-গফরগাঁও
কাজী তমাদক আলীÑ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, নান্দাইল থানা
এ এফ এম ইসহাকÑ শান্তি কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান, নান্দাইল থানা
আবদুল গনি ভুঁইয়াÑ শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক, নান্দাইল থানা
ডা. আবদুল খালেক— শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল থানা
আরিফ উদ্দিন আকন্দ— শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল থানা
ইব্রাহিম মাস্টারÑ শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল থানা
মোবারক আলীÑ শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল থানা
মোয়াজ্জেম হোসেন সরকারÑ শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল
ইয়াজদর সরকার— শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল
আলী আকবর ভুঁইয়াÑ শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল
মমতাজউদ্দিন ভুঁইয়াÑ শান্তি কমিটির সদস্য, নান্দাইল
মো. আ. জলিলÑ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, থানা-হালুয়াঘাট
মাওলানা জাফর আহম্মদÑ শান্তি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, হালুয়াঘাট
ডা. কুবাদ্দুজ্জামনÑ শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-হালুয়াঘাট
আবদুল মান্নান মিয়া (দুদু মিয়া)— শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-হালুয়াঘাট
মো. রুহুল আমিন (চেয়ারম্যান)Ñ শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-হালুয়াঘাট
বাহার উদ্দিন মেম্বার (মৃত)— শান্তি কমিটির সদস্য, হালুয়াঘাট
কুবাদ্দুজ্জামান— শান্তি কমিটির সদস্য, হালুয়াঘাট
ইউসুফ উদ্দিন সরকার (মৃত), মাঝিয়ালীÑ শান্তি কমিটির সদস্য হালুয়াঘাট
কছিম উদ্দিন মেম্বার (মৃত), আছরলপাড়াÑ শান্তি কমিটির সদস্য হালুয়াঘাট
সৈয়দ গোলাম মর্তূজা (তুলা চেয়ারম্যান)— শান্তি কমিটির সদস্য, হালুয়াঘাট
মনাহাজী (মৃত), দরিনসুয়াÑ শান্তি কমিটির সদস্য, হালুয়াঘাট
মীর হোসেনÑ মাঝিয়ালী, শান্তি কমিটির সদস্য, হালুয়াঘাট
মৃত কেরামত আলী তালুকদার— চেয়ারম্যান, মুক্তাগাছা থানা শান্তি কমিটি
মৃত আব্বাস আলী— পৌর শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, মুক্তাগাছা
মৃত ডালিম চেয়ারম্যান— ইউনিয়ন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, মুক্তাগাছা
মৃত খন্দকার নূরুল ইসলাম (তোতা মৌলভী)— ইউনিয়ন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান
সুরুজ্জামান চেয়ারম্যান— ইউনিয়ন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, মুক্তাগাছা
মৃত ফয়জুর রহমান চেয়ারম্যান— দাওগাঁও ইউনিয়ন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান
মৃত আবদুর রাজ্জাক চেয়ারম্যানÑ ঘোগা ইউনিয়ন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান
রজব আলী ফকিরÑ চেয়ারম্যান, ফুলপুর থানা শান্তি কমিটি
আবুল জলিল খান (মৃত)Ñ সম্পাদক শান্তি কমিটি, ফুলপুর
আবু বকর সিদ্দিকÑ শান্তি কমিটির সদস্য, ফুলপুর
মৃত মোজাম্মেল হক মেম্বারÑ শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক, ভালুকা থানা
আ. গণি মেম্বারÑ শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-ভালুকা
আবদুল ওয়াহাব খানÑ শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-ভালুকা
মৌলভী তোরাব আলীÑ শান্তি কমিটি অন্যতম সদস্য, থানা-ভালুকা
মৃত শাহাবউদ্দিন Ñ শান্তি কমিটির সভাপতি, থানা-ফুলবাড়িয়া
মো. আবদুস সামাদ মাস্টার (টিক্কা খান)Ñ শান্তি কমিটির সদস্য ফুলবাড়িয়া
ডা. আবুল হোসেনÑ শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-ফুলবাড়িয়া
মৃত ডা. গোলামুর রহমানÑ শান্তি কমিটির সদস্য, ফুলবাড়িয়া
মৃত মৌলভী আবদুল কুদ্দুস— শান্তি কমিটির সদস্য, ফুলবাড়িয়া
মো. আ. সালাম মাস্টার— শান্তি কমিটির সদস্য, থানা-ফুলবাড়িয়া
মৃত মক্তব কবিরাজ— চেয়ারম্যান, জামালপুর (মেডিকেল রোড) শান্তি কমিটি
ডা. মো. আবদুস সামাদ খান— সাধারণ সম্পাদক শান্তি কমিটি জামালপুর
মোবারক হোসেন— ইসলামপুর থানা শান্তি কমিটির আহবায়ক
মোঃ ইয়াদ আলী খান— শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেরপুর মহকুমা
এডভোকেট হাবিবুর রহমান (মৃত)— শান্তি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, শেরপুর
গোলাম হক চেয়ারম্যান (মৃত)Ñ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, আন্ধারিয়া, শেরপুর
ফজলুল হকÑ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, নেত্রকোনা মহকুমা
শেখ নজমুল হোসেনÑ শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক, নেত্রকোনা
বদরুলÑ সদস্য, শান্তি কমিটি নেত্রকোনা
মাহতাব উদ্দিনÑ সদস্য, শান্তি কমিটি নেত্রকোনা
সোয়াব উদ্দিন চেয়ারম্যানÑ সদস্য, শান্তি কমিটি নেত্রকোনা
মৃত দেওয়ান মসনিয়া চৌধুরীÑ মদন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান
ইব্রাহিম চেয়ারম্যান— সদস্য, পূর্বধলা শান্তি কমিটি
মৃত আবুল হোসেন শেখ— মোহনগঞ্জ থানা শান্তি কমিটি
লোকমান মৌলভীÑ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, কিশোরগঞ্জ
মওলানা আতাউর রহমান খানÑ সাধারণ সম্পাদক
আবদুর রহমান সরকারÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, কিশোরগঞ্জ
মোসলেম উদ্দীনÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, কিশোরগঞ্জ
আবদুল আওয়াল খানÑ সাধারণ সম্পাদক, শান্তি কমিটি, যশোদল, কিশোরগঞ্জ
মৌলভী হাকিম হাবিবুর রহমানÑ চেয়ারম্যান, শান্তি কমিটি, টাঙ্গাইল জেলা
আবদুল খালেকÑ সেক্রেটারি, শান্তি কমিটি, টাঙ্গাইল জেলা
মওলানা লুৎফরÑ শান্তি কমিটির সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা
মওলানা আশরাফ আলীÑ শান্তি কমিটির সদস্য, টাঙ্গাইল
মওলানা ওয়াদুদÑ শান্তি কমিটির সদস্য, টাঙ্গাইল
মজিদ সরকারÑ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, গাজীপুর মহকুমা
আফজাল হোসেনÑ আহ্বায়ক (পরে চেয়ারম্যান), শান্তি কমিটি, ফরিদপুর জেলা
ডা. কাজী ইমদাদুল হক— শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর জেলা
আজিরুদ্দীন খান— শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর
আনিস কাজী— শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর
আদিল উদ্দীন হাওলাদারÑ শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর
এম এ গফুরÑ শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর
আফজাল হোসেনÑ শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর
কারেল উদ্দিনÑ শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর
হাতিমউদ্দীন— শান্তি কমিটির সদস্য, ফরিদপুর
হামিদ খোন্দকার— শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, মাদারীপুর
আবদুর রহমান হাওলাদার— শান্তি কমিটির সভাপতি, মাদারীপুর
মহিউদ্দীন— শান্তি কমিটির সহ-সভাপতি, মাদারীপুর
আবদুল হামিদ খন্দকার— শান্তি কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মাদারীপুর
মওলানা খলিলুর রহমান— শান্তি কমিটির সদস্য, মাদারীপুর
আ. রব মোল্লা— শান্তি কমিটির সদস্য, গোপালগঞ্জ
আয়েন উদ্দীন (কনভেনশন লীগ)— চেয়ারম্যান, রাজশাহী জেলা শান্তি কমিটি
আজিজুর রহমান আল-আমীন— সম্পাদক, রাজশাহী জেলা শান্তি কমিটি
লতিফ হোসেনÑ চেয়ারম্যান, নবানগঞ্জ মহকুমা শান্তি কমিটি
তৈয়ব আলীÑ সেক্রেটারি, নবানগঞ্জ মহকুমা শান্তি কমিটি
ক্যাপ্টেন এস এ এম জায়েদি চেয়ারম্যান, শান্তি কমিটি, পাবনা জেলা
মওলানা আবদুস সুবহান— ভাইস প্রেসিডেন্ট, শান্তি কমিটি, পাবনা জেলা
খন্দকার আবদুল জলিল— যুগ্ম-আহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, পাবনা জেলা
রহিম বকসÑ শান্তি কমিটির সদস্য, পাবনা
খোদা বক্স খানÑ শান্তি কমিটির সদস্য, পাবনা
মওলানা নাসির উদ্দিনÑ শান্তি কমিটির সদস্য, পাবনা
ইসমাইল হোসেনÑ শান্তি কমিটির সদস্য, পাবনা
আবদুস সামাদ মহলদারÑ শান্তি কমিটির সদস্য, পাবনা
আরিফুদ্দিনÑ আহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, ঈশ্বরদী, পাবনা
মাওলানা আসাদুল্লাহ সিরাজীÑ চেয়ারম্যান, সিরাজগঞ্জ মহকুমা শান্তি কমিটি
গোলাম আলম (কিউএমএল)— সেক্রেটারি সিরাজগঞ্জ মহকুমা শান্তি কমিটি
তোফাজ্জল হোসেন মুখতার— আহ্বায়ক সিরাজগঞ্জ মহকুমা শান্তি কমিটি
মাওলানা সাইফুদ্দিন— আহ্বায়ক, শাহজাদপুর থানা শান্তি কমিটি
আহমেদ হোসেন— আহ্বায়ক, উল্লাপাড়া থানা শান্তি কমিটি
হাবিবুর রহমান খা— সেক্রেটারি, উল্লাপাড়া থানা শান্তি কমিটি
এম এ জলিল— আহ্বায়ক, বেলকুচি থানা শান্তি কমিটি
আজিজুর রহমান খন্দকারÑ শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান, গাইবান্ধা মহকুমা
সাইদুর রহমান (কাইয়ুম লীগ)Ñ শান্তি কমিটির নেতা, গাইবান্ধা
কাইয়ুম মুনশীÑ শান্তি কমিটির সদস্য, নীলফামারী মহকুমা
মোঃ গোলাম রসুলÑ সাধারণ সম্পাদক, শান্তি কমিটি, ঠাকুরগাঁও মহকুমা
ডা. হাবিবুর রহমান খানÑ আহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, বগুড়া জেলা
আবদুল আলীমÑ চেয়ারম্যান, শান্তি কমিটি, জয়পুরহাট মহকুমা
মাওলানা এম আজিজÑ আহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, জয়পুরহাট মহকুমা
আকমল হোসেনÑ আহ্বায়ক, জয়পুরহাট সদর থানা শান্তি কমিটি
রিজু— শান্তি কমিটির সদস্য, মাগুরা
কবির— শান্তি কমিটির সদস্য, মাগুরা
বি এ মজুমদার— চেয়ারম্যান, ঝিনাইদহ মহকুমা শান্তি কমিটি
তোবারক— শান্তি কমিটির নেতা, ঝিনাইদহ
হাবিবুর রহমান জোয়ার্দ্দার— শান্তি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, ঝিনাইদহ
মজনু— শান্তি কমিটির সেক্রেটারি,  ঝিনাইদহ
হোসেন মোল্লা— শান্তি কমিটির সদস্য, ঝিনাইদহ
সৈয়দ শরিফুল ইসলাম— শান্তি কমিটির সদস্য, ঝিনাইদহ
মতলুবুর রহমান— শান্তি কমিটির সদস্য, ঝিনাইদহ
এম এ মজিদ— শান্তি কমিটির সদস্য, ঝিনাইদহ
নূরুন্নবী সামদানী (জামায়াত)— শান্তি কমিটির সদস্য, ঝিনাইদহ
সা’দ আহমদ— চেয়ারম্যান, কুষ্টিয়া জেলা শান্তি কমিটি
তাজ মতিল হোসেন খানÑ আহ্বায়ক, কামারখন্দ থানা শান্তি কমিটি
মাওলানা এ হোসেনÑ চেয়ারম্যান, ভেড়ামারা থানা শান্তি কমিটি
আবদুল মান্নœানÑ সেক্রেটারি, ভেড়ামারা থানা শান্তি কমিটি
মোজাম্মেল  হোসেন খান চৌধুরীÑ আহ্বায়ক, মিরপুর থানা শান্তি কমিটি
মশিউল আজম খানÑ আহ্বায়ক, মাগুরা মহকুমা শান্তি কমিটি
আসগর আলী মোল্লাÑ আহ্বায়ক, চুয়াডাঙ্গা, মহকুমা শান্তি কমিটি
সবদর আলীÑ আহ্বায়ক, মেহেরপুর মহকুমা শান্তি কমিটি
সৈয়দ বদরুল আলীÑ সেক্রেটারি, যশোর জেলা শান্তি কমিটি
আবুল হোসেনÑ সদস্য, খুলনা জেলা শান্তি কমিটি
আমজাদ হোসেন (সাবেক মন্ত্রী)Ñ খুলনা জেলা শান্তি কমিটি
আইউব হোসেনÑ আহ্বায়ক, খুলনা শহর শান্তি কমিটি
এ গফুরÑ আহ্বায়ক, সাতীরা মহকুমা শান্তি কমিটি
ডা. মোজাম্মেল  হকÑ আহ্বায়ক, বাগেরহাট মহকুমা শান্তি কমিটি
আবদুর রবÑ সভাপতি, শান্তি কমিটি, বরিশাল জেলা
আবদুর রহমান বিশ্বাসÑ নেতা, শান্তি কমিটি, বরিশাল জেলা
আবদুল আজিজ তালুকদারÑ নেতা, শান্তি কমিটি, বরিশাল জেলা
মওলানা বশিরুল্লাহÑ নেতা, শান্তি কমিটি, বরিশাল জেলা
অ্যাডভোকেট আবদুল হোসেন সিকদারÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, বরিশাল
খলিলুর রহমানÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, বরিশাল জেলা
সৈয়দ শের আলীÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, বরিশাল জেলা
অ্যাডভোকেট মিনহাজউদ্দিন খানÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, বরিশাল জেলা
আবুল হোসেনÑ সভাপতি, শান্তি কমিটি, বরিশাল মহকুমা
এম এ খালেকÑ সম্পাদক, শান্তি কমিটি, বরিশাল মহকুমা
আলাউদ্দিন সিকদারÑ চেয়ারম্যান, শান্তি কমিটি, পটুয়াখালী
মোতাহার খন্দকারÑ শান্তি কমিটির সদস্য, পটুয়াখালী
খান বাহাদুর আফজাল খানÑ প্রেসিডেন্ট, শান্তি কমিটি, পিরোজপুর
এ জাফর মোল্লাÑ সহ-সভাপতি, শান্তি কমিটি, পিরোজপুর
এ সাত্তার মিয়াÑ সেক্রেটারি, পিরোজপুর শান্তি কমিটি
সরদার সুলতান মাহমুদÑ শান্তি কমিটি, পিরোজপুর
আবদুল মোতালেবÑ সাধারণ সম্পাদক, শান্তি কমিটি, বরগুনা
শাহেদ আলীÑ আহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, সিলেট জেলা
ডা. আবদুল মালেকÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, সিলেট জেলা
আহমেদ আলীÑ সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
গোলাম জিলানী— সদস্য, শান্তি কমিটি, সিলেট জেলা
মোহাম্মদ মোকামÑ সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
আরশাদ আলী— সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
আবদুর রকীব— সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
মকবুল আলী চৌধুরীÑ সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
শাহাবুদ্দিন— সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
নাজমুল হোসেন তারা মিয়া— সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
খোকন মিয়া— সদস্য, জেলা শান্তি কমিটি, সিলেট
আনোয়ার রাজাÑ চেয়ারম্যান, মহকুমা শান্তি কমিটি, সুনামগঞ্জ
বিএবিটি আবদুল বারীÑ আহ¡ায়ক, মহকুমা শান্তি কমিটি, মৌলভীবাজার
মিসিরউল্লাÑ আহ¡ায়ক, মহকুমা শান্তি কমিটি, মৌলভীবাজার
মৃত সৈয়দ কামরুল ইসলামÑ আহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, হবিগঞ্জ
মৃত আবদুল বারী মোক্তারÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, হবিগঞ্জ
গাজী মিয়া চৌধুরীÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, নূরপুর ইউনিয়ন, হবিগঞ্জ
শমসের উদ্দিন মীরÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, নূরপুর ইউনিয়ন, হবিগঞ্জ
সোরাব আলীÑ সদস্য, শান্তি কমিটি, নূরপুর ইউনিয়ন, হবিগঞ্জ
অ্যাডভোকেট সায়েদুল হকÑ চেয়ারম্যান, জেলা শান্তি কমিটি, নোয়াখালী
মুনীরÑ সেক্রেটারি, জেলা শান্তি কমিটি, নোয়াখালী
মাসউদ আক্তারÑ নেতা, নোয়াখালী জেলা শান্তি কমিটি
অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান চৌধুরীÑ নেতা, নোয়াখালী জেলা শান্তি কমিটি
ডা. আবদুল জলিলÑ নেতা, নোয়াখালী জেলা শান্তি কমিটি
খায়েজ আহমেদÑ চেয়ারম্যান, ফেনী মহকুমা শান্তি কমিটি
নূরুল ইসলাম খানÑ চেয়ারম্যান, কুমিল্লা উত্তর মহকুমা শান্তি কমিটি
সাজ্জাদুল হকÑ সদস্য, কুমিল্লা উত্তর মহকুমা শান্তি কমিটি
আলহাজ এম এ সালাম— আহ¡ায়ক, চাঁদপুর মহকুমা শান্তি কমিটি
মোঘল মিয়া— চেয়ারম্যান, শান্তি কমিটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা
আলহাজ আবদুস সামাদ— অহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা
মাহমুদুন্নœবী চৌধুরী (পিডিপি)— আহ্বায়ক, শান্তি কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা
হাফেজ মকবুল আহমেদ— প্রধান সমন্বয়কারী, শান্তি কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা
অধ্যাপক ওসমান বনজ (জামায়াত)— সংগঠক, শান্তি কমিটি, চট্টগ্রাম জেলা

Advertisements

Leave a comment

Filed under History, War crimes

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s