যমতুল্য গোলাম আযম

একাত্তরে ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার ১০ দিনের মধ্যে ৪ এপ্রিল নূরুল আমিন, গোলাম আযম, খাজা খয়ের উদ্দিন প্রমুখ ডানপন্থি রাজনীতিক পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক ও গভর্নর জেনারেল টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। দৈনিক সংগ্রাম, পাকিস্তান অবজারভার, দৈনিক পূর্বদেশসহ কয়েকটি পত্রিকায় এ সংক্রান্ত খবর ও ছবি প্রকাশিত হয়। দুদিন পর (৬ এপ্রিল) আরো কয়েকজনের মতো আলাদাভাবে টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করেন গোলাম আযম। ৭ এপ্রিল সেই খবর ছাপা হয় দৈনিক সংগ্রাম-এ। এর পরই তারা গঠন করেন শান্তি কমিটি। নামে শান্তি কমিটি হলেও একাত্তরের নয় মাস এরা অশান্তির আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে বাঙালিদের। সে বছর ৯ এপ্রিল প্রথমে ঢাকায় খাজা খয়ের উদ্দিনকে আহ্বায়ক করে ১৪০ সদস্যের নাগরিক শান্তি কমিটি গঠন করা হয়, যাতে গোলাম আযম ছিলেন অন্যতম সদস্য। ১৩ এপ্রিল শান্তি কমিটির উদ্যোগে একটি মিছিল বের করা হয় ঢাকায়। ওই মিছিলশেষে পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখা এবং সেনাবহিনীর সাফল্য কামনা করে মোনাজাত করা হয়। ওই মোনাজাত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গোলাম আযম (দৈনিক সংগ্রাম, ১৪ এপ্রিল ১৯৭১)। পরে ১৪ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কমিটির নতুন নাম দেওয়া হয় পূর্ব পাকিস্তান কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটি (Central Peace Committee for East Pakistan)। ওইদিন ২১ সদস্যের একটি কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতেও গোলাম আযম ছিলেন অন্যতম সদস্য। এ খবরও প্রকাশিত হয়দৈনিক সংগ্রামসহ বিভিন্ন পত্রিকায়। গোলাম আযম অন্য দালালদের নিয়ে ১৬ এপ্রিল আবার টিক্কা খানের সঙ্গে সাাৎ করে সেনাবাহিনীকে সহায়তা দিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্র“তি দেন। পরদিন ১৭ এপ্রিল সে খবর ছাপা হয় দৈনিক সংগ্রাম, পাকিস্তান অবজারভারসহ বিভিন্ন পত্রিকায়।
অন্য দালালদের নিয়ে শান্তি কমিটি গঠন করেই শুধু ক্ষা ন্ত ছিল না জামায়াতে ইসলামী ও তার নেতা গোলাম আযম। বাঙালিদের খতম করতে সশস্ত্র রাজাকার বাহিনী গঠনেও উদ্যোগ নিয়েছিল মূলত তারাই। যমদূত রাজাকার বাহিনী গঠনের প্রস্তাবটি গোলাম আযম দিয়েছিলেন ১৯ জুন রাওয়ালপিন্ডিতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে দেখা করে। এর আগের দিন দৈনিক পাকিস্তান-এর খবরে বলা হয়, গোলাম আযম লাহোরে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাত করে তিনি পূর্ব পাকিস্তান সম্পর্কে কিছু সুপারিশ রাখবেন। তবে এগুলো আগেভাগে প্রকাশ করা ভালো হবে না।’ ইয়াহিয়ার সঙ্গে সাাতের পরদিন অর্থাৎ ২০ জুন জামায়াতের মুখপত্র দৈনিক সংগ্রাম-এর খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে সাাৎ করে পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির ‘দুষ্কৃতিকারীদের মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে দেশের আদর্শ ও সংহতিতে বিশ্বাসী লোকদের হাতে অস্ত্র সরবরাহ করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান’। এর পরদিনই দৈনিক সংগ্রাম-এর সম্পাদকীয় নিবন্ধে বলা হয়, ‘দেশপ্রেমিকদের অস্ত্রসজ্জিত করা হলে অল্প সময়েই দুষ্কৃতকারীদের উচ্ছেদ করা সম্ভব হবে।’ উল্লেখ্য, জামায়াতীরা তখন মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সমর্থকদের ‘দুষ্কৃতকারী’, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’, ‘বিদ্রোহী’, ‘ভারতীয় এজেন্ট’ ইত্যাদি বলতো। একাত্তরের ২১ জুন লাহোরে দলীয় অফিসে কর্মীদের উদ্দেশ্যে গোলাম আযম বলেন, ‘সামরিক হস্তপে ছাড়া দেশকে রা করার বিকল্প ব্যবস্থা ছিল না।’ পরদিন দৈনিক সংগ্রাম-এ সংবাদটি প্রকাশ করে বলা হয়, ‘তিনি (গোলাম আযম) সেনাবাহিনীর প্রশংসা করেন।’
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক গোপন দলিলে [নম্বর ৪৮২/১৫৮-পল/এস (আই)] দেখা যায়, ৪ আগস্ট খুলনা জেলা জামায়াতের এক সভায় গোলাম আযম তার বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ আখ্যা দেন। স্থানীয় মিউনিসিপাল হলের ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তার। ২০০১ সালে বাগেরহাট-৪ আসন থেকে তিনি জামায়াতের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২৮-৭-১৯৭১ তারিখে দেওয়া ওই প্রতিবেদনে সই করেন তখনকার পূর্ব পাকিস্তান সরকারের স্বরাষ্ট্র সচিব এমএম কাজিম।
আরেকটি গোপন প্রতিবেদনে [নম্বর ৫৪৯ (১৫৯) পল/এস (আই)] উল্লেখ আছে, আগস্ট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সম্মেলনে গোলাম আযম বলেন, ‘হিন্দুরা মুসলমানদের শত্র“। তারা সবসময় পাকিস্তানকে ধ্বংসের চেষ্টা করছে।’ ওই সম্মেলনে গোলাম আযম প্রতি গ্রামে শান্তি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ‘দুষ্কৃতকারী’ আখ্যা দিয়ে তাদের নির্মূল করারও নির্দেশ দেন তিনি। গোলাম আযম বলেন, খুব শিগগিরই রাজাকার, মুজাহিদ ও পুলিশ মিলে দুষ্কৃতকারীদের মোকাবেলা করতে সম হবে।
মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় জুড়েই গোলাম আযম ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে সরলমনা মুসলমানদের খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করেন হিন্দু সম্প্রদায় ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে। জুলাই মাসে রাজশাহীতে শান্তি কমিটি আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে গোলাম আযম বলেন, ‘যাদের নিজেদের শক্তি নেই, তারা হিন্দুস্তানের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে স্বাধীন হতে চায়।’ তিনি ঘোষণা করেন যে, ‘হিন্দুরা মুসলমানের বন্ধু–এরূপ প্রমাণ করার মত কোন দলিল নেই।’ ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্যদানরত অবস্থায় গোলাম আযমের ছবিসহ সংবাদটি ছাপা হয় একাত্তরের ১৯ জুলাই দৈনিক সংগ্রাম-এ।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ঢাকা থেকে পিন্ডিতে মাসে দু’বার এ গোপন প্রতিবেদন (ফর্টনাইটলি সিক্রেট রিপোর্ট) পাঠানো হতো। সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধের প্রতিবেদনে [নম্বর ৬০৯ (১৬৯) পল/এস (আই)]  বলা হয়েছে, ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জামায়াতের এক সভা অনুষ্ঠিত হয় যাতে গোলাম আযমসহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন। সভায় প্রদেশের রাজনৈতিক ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে ‘বিদ্রোহীদের’ (মুক্তিযোদ্ধা) নির্মূল করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
(A discussion meeting of the JI workers was held on 3-9-71 in Dacca and was addressed, among others, by Prof. Ghulam Azam. The meeting reviewed the political and law and order situation of the province and emphasised the need for restoration of normalcy by eliminating the rebels and anti-social elements.)
একাত্তরের ১৭ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে রাজাকার ক্যাম্প পরিদর্শন করেন গোলাম আযম। ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ তারিখে প্রকাশিত দৈনিক সংগ্রাম-এর খবরে বলা হয়, প্রশিণার্থী রাজাকারদের প্রতি ‘ভালভাবে ট্রেনিং গ্রহণ করে যত শীঘ্র সম্ভব এসব আভ্যন্তরীণ শত্র“কে (মুক্তিযোদ্ধা) দমন করার জন্য গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ার আহ্বান’ জানান তিনি। ওই রাজাকার ক্যাম্প পরিদর্শনে গোলাম আযমের সঙ্গে ছিলেন প্রাদেশিক জামায়াতের শ্রম ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শফিকুল্লাহ, কেন্দ্রীয় শান্তি কমিটির সহ-সভাপতি ও তেজগাঁও থানা জামায়াতের সভাপতি মাহবুবুর রহমান গোরহা ও রাজাকার বাহিনী প্রধান মোহাম্মদ ইউনুস। সেখানে গোলাম আযম আরো বলেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা পাকিস্তানের হেফাজতের জন্য রেজাকার, মুজাহিদ ও পুলিশ বাহিনীতে ভর্তি হয়েছে। (দৈনিক সংগ্রাম, ১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)
গোলাম আযমের রাজাকারপ্রীতির প্রমাণ আছে তার আÍজীবনীমূলক বইয়েও। ‘জীবনে যা দেখলাম’ নামের ওই বইয়ের তৃতীয় খণ্ডে গোলাম আযম লিখেছেন, ‘যে রেযাকাররা দেশকে নাশকতামূলক তৎপরতা থেকে রার জন্য জীবন দিচ্ছে তারা কি দেশকে ভালবাসে না? তারা জš§ভূমির দুশমন হতে পারে?’ (পৃষ্ঠা- ১৫০)
একাত্তরে গোলাম আযম বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধের হুঙ্কারও ছেড়েছেন। ২৩ নভেম্বর লাহোরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বর্তমান মুহূর্তে আক্রমণাÍক ভূমিকা গ্রহণ করাই হবে দেশের জন্য আÍরার সর্বোত্তম ব্যবস্থা।’ পরদিন তার এ বক্তব্য দৈনিক সংগ্রামে প্রকাশিত হয়। ২৭ নভেম্বর গোলাম আযম পিন্ডি আইনজীবী সমিতির এক সভায় বলেন, ‘দেশপ্রেমিক জনগণ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।’ পশ্চিম পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে ২২ নভেম্বর ঢাকা ছেড়েছিলেন গোলাম আযম। তার সঙ্গে ছিলেন মওলানা আবদুর রহীম ও এ কে এম ইউসুফ। সেটিই ছিল গোলাম আযমের শেষ যাওয়া। ১৯৭৮ সালের আগে আর দেশে ফিরেননি তিনি।
একাত্তরের ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের ২৫তম আজাদী দিবস উপলে এক বিবৃতিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর আমির গোলাম আযম ‘পাকিস্তান সৃষ্টির উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত করার জন্য প্রচেষ্টা চালানোর আহ্বান’ জানান। এ শিরোনামেই খবরটি তখন ছাপা হয় দৈনিক সংগ্রামে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ‘পাকিস্তানের আদর্শ’ রার জন্য গোলাম আযম একটি তহবিল গঠন করেছিলেন। ওই তহবিলের জন্য গোলাম আযমের সই করা রসিদ দিয়ে চাঁদা তোলা হয়।
মুক্তিযোদ্ধা সিরু মিয়াকে হত্যার নির্দেশ : কুমিল্লার হোমনা থানার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সিরু মিয়া দারোগা ও তার ছেলে আনোয়ার কামালকে গোলাম আযমের লিখিত নির্দেশে হত্যা করা হয়। সিরু মিয়া দারোগা শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে ট্রেনিং ও অপারেশন চালাতেন। ১৯৭১ সালের ২৭ অক্টোবর সিরু মিয়া দারোগা এবং তার কিশোর-পুত্র আনোয়ার কামাল ট্রেনিং ক্যাম্পে যাওয়ার সময় অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে রাজাকারদের হাতে ধরা পড়েন। ২৯ অক্টোবর সিরু মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম তার চাচাশ্বশুর আব্দুল মজিদ মিয়ার কাছ থেকে খবরটি জানতে পান। নানা জায়গায় ধর্না দিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি ঢাকায় দূর সম্পর্কের আত্মীয় মহসীনের কাছে হাজির হন। খিলগাঁও গভর্মেন্ট হাইস্কুলের শিক মহসীন গোলাম আযমের দুই ছেলেকে প্রাইভেট পড়াতেন। তার মাধ্যমেই গোলাম আযমকে ধরলেন আনোয়ারা। সব শুনে একটি চিঠি লিখলেন গোলাম আযম। খাম বন্ধ করে বললেন, কুমিল্লা ডিস্ট্রিক্ট রাজাকার কমান্ডারকে এই চিঠি দিলে সিরু মিয়াদের ছেড়ে দেওয়া হবে। আনোয়ারার ভাই ফজলু মিয়া ১ নভেম্বর কুমিল্লায় গেলেন এই চিঠি নিয়ে। স্থানীয় রাজাকার কমান্ডার চিঠি পড়ে বললেন, ঈদের পরদিন কামালকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর সিরু মিয়াকে পুলিশে যোগদানের জন্য পাঠানো হবে। জেলখানায় ফজলুর সঙ্গে কামালের দেখা হয়। মামার সিগারেটের প্যাকেটের কাগজে মাকে চিঠি লেখে কামাল : আম্মা সালাম নিবেন। আমরা জেলে আছি। জানি না কবে ছুটব। ভয় করবেন না। আমাদের উপর তারা অকথ্য অত্যাচার করেছে। দোয়া করবেন। আমাদের জেলে অনেকদিন থাকতে হবে। ঈদ মোবারক। কামাল।
আরেকটি চিঠি লেখে তার নানাকে।
২৩ নভেম্বর ঈদ। পরদিন কামালের ফেরার কথা। ফেরে না কামাল। ২১ তারিখ সন্ধ্যায় তিতাসের পাড়ে ৪০ জন মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে মারা হয় সিরু মিয়া ও তার ছেলে কামালকে। ঈদের পরদিন ফজলু কামালকে আনতে যান কুমিল্লা জেলখানায়। সেখানে সিরু মিয়া ও কামালের জামা-কাপড় তার হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঠিক এই নির্দেশই তার লেখা চিঠিতে দিয়েছিলেন গোলাম আযম।
গণআদালতে বিভিন্ন জনের জবানবন্দি : ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গণআদালতে শহীদ প্রকৌশলী ফজলুর রহমানের ছেলে সাইদুর রহমান অভিযোগ করেন, ১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও গোলাম আযমের দলের লোকেরা তার বাবা, মা ও তিন বড় ভাইকে গুলি করে এবং বেয়নেট চার্জ করে হত্যা করে।
শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের ছেলে অমিতাভ কায়সার গণআদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তার বাবাকে অপহরণ করে নিয়ে হত্যা করার জন্য গোলাম আযম, তার দল জামায়াতে ইসলামী ও আল-বদর বাহিনীকে দায়ী করেন।

Advertisements

Leave a comment

Filed under History, War crimes

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s