সেই পুরনো কৌশল

এ মাসের গোড়ার দিকে ফেসবুকে প্রথমে ইংরেজিতে এবং পরে বাংলায় একটি উসকানিমূলক বিবৃতি ছড়ানো হয় সরকার ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। দাবি করা হয়, বিবৃতিটি ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যম-সারির অফিসারবৃন্দ’-এর। বাংলায় বিবৃতিটির শিরোনাম দেওয়া হয় ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন বছরের উপহার : মধ্যম-সারির অফিসাররা অচিরেই বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন’। দুই হাজারের বেশি শব্দের ওই বিবৃতির দুই-তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে ‘বাংলাদেশকে সিকিমের মত ভারতের একটি অঘোষিত অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার’ কল্পিত ষড়যন্ত্রের বিবরণ। এতে দাবি করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর পরিবার এবং সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা মিলেই নাকি এ দেশের সেনাবাহিনীর মুসলিম পরিচয় ঘুচিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছেন! এই চক্রান্তের অংশ হিসেবেই নাকি পিলখানা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ইহসান ইউসুফসহ অভ্যুত্থান চেষ্টার অভিযোগে আটক সেনা কর্মকর্তাদের সৎ, দেশপ্রেমিক ও নির্ভীক আখ্যা দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এদের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে নাকি ‘নীলনকশার দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়নের কাজ’ চলছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মুসলিম পরিচিতির বিরুদ্ধে তাদের এই গাত্রদাহের মূল কারণ হলো, তারা এটা ভালো করে জানে যে, যতো দিন পর্যন্ত ইসলামের প্রতি এই জাতির ভালোবাসা অক্ষুণ্ন্ন থাকবে, যত দিন পর্যন্ত এই সেনাবাহিনী একটি মুসলিম সেনাবাহিনী হিসেবে পরিচিত থাকবে ততো দিন পর্যন্ত বাংলাদেশকে সিকিম বানানোর স্বপ্ন কেবল স্বপ্নই থেকে যাবে। মুসলিম পরিচিতির প্রতি তাদের গাত্রদাহের এটাই মূল কারণ।’
বিবৃতিতে শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি খুন হওয়ার মতো দেশের কিছু বিদ্যমান সমস্যার কথাও তুলে ধরা হয়েছে। এরপর বলা হয়েছে, ‘এ কথা মনে করার কোন কারণ নেই যে এগুলোই শেষ, বরং এগুলো তো শুরু মাত্র, এর চেয়েও অনেক ভয়াবহ ঘটনা এই জাতিকে দেখতে হবে যদি এখনি এর কোন প্রতিকার না করা হয়।’ তাঁদের কথিত এই প্রতিকারের জন্য ‘সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতির শেষ ভাগে ‘মধ্যম-সারির অফিসারদের পরিকল্পনা’ উপশিরোনামে ওই কথিত অফিসাররা কী করতে যাচ্ছেন তার বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
আমাদের দেশে সেনা অভ্যুত্থান ও সামরিক শাসনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। প্রতিবারই দেখা গেছে, দেশের বিদ্যমান সমস্যার সুযোগ নিয়ে ধর্মীয় জিগির তুলে সামনে এসেছেন সামরিক শাসকরা। ক্ষমতা দখলের পর অবশ্য জাতীয় সব সমস্যা ভুলে গিয়ে মুখরোচক ভারতবিরোধিতা আর ইসলাম ধর্মের নামে নানান বুলি আউড়ে সময় পার করেছেন তাঁরা। দেশের সমস্যা সমাধান তো দূরের কথা, জাতির ঘারে বরং সমস্যার পাহাড় চাপিয়েছেন সামরিক শাসকরা। আমাদের সংবিধানকে ইচ্ছেমতো কাটাছেঁড়া করে তাঁরা দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল চরিত্র নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন।
এবারও অভ্যুত্থানের অপচেষ্টায় লিপ্ত সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তারা ধর্মকে ব্যবহারের সেই পুরনো কৌশলটি অবলম্বন করতে চেয়েছেন। শুধু তাই নয়, তাঁদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ধর্মীয় পরিচয়ধারী একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন। গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সেনা অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা ব্যর্থ হলেও একই লক্ষ্যে তৎপর রয়েছে হিযবুত তাহ্‌রীর। দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে তারা সরকারের পতন ঘটাতে চায়।’ গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পলাতক মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহ্‌রীরের নেতা-কর্মীরা। সংগঠনের প্রায় ১০ হাজার নেতা-কর্মী সরা দেশে সেনাবাহিনী ও সরকারের বিরুদ্ধে লিফলেট বিতরণে সক্রিয়। এরই মধ্যে তাঁরা লক্ষাধিক উসকানিমূলক লিফলেট তৈরি করেছেন। গোয়েন্দা সূত্র মতে, গত শুক্রবার রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া হিযবুত তাহ্‌রীর সদস্যরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, তাঁরা পলাতক মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকের অনুসারী। মেজর জিয়াউল হক সম্প্রতি সেনা অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন। তিনি এখন পলাতক।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সরকার উৎখাতের লক্ষ্যে ধর্মান্ধদের অভ্যুত্থান চেষ্টার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরসহ বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সম্পৃক্ততার বিষয়েও তদন্ত চলছে।
“হিযবুত তাহ্‌রীর-এর মিডিয়া কার্যালয়, উলাই’য়াহ বালাদেশ” থেকে গত ২০ জানুয়ারি শুক্রবার লিফলেট আকারে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বিলি করা হয় বিভিন্ন স্থানে। সেদিন র‌্যাব উত্তরা থেকে আটক হিযবুত তাহ্‌রীর সদস্যদের কাছ থেকে বেশ কিছু ‘লিফলেট’ও উদ্ধার করেছে। ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির কপি আমাদের হাতেও এসেছে। দেখা যাচ্ছে, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মধ্যম-সারির অফিসারবৃন্দ’-এর নামে ফেসবুকে প্রচারিত বিবৃতি আর হিযবুত তাহ্‌রীরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বিষয়বস্তু ও সুর একই।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তির শিরোনাম হলো ‘বিশ্বাসঘাতক হাসিনা তার মার্কিন-ভারত প্রভুর নির্দেশে বাংলাদেশের মুসলিম সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অব্যাহত চক্রান্তে লিপ্ত, তাকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে।’ শুরুতেই বলা হয়েছে, ‘হিযবুত তাহ্‌রীর আজ (শুক্রবার) দেশব্যাপী বিভিন্ন মসজিদে বাদ জুমআ সমাবেশের আয়োজন করে, যেখানে বক্তাগণ হাসিনা সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের মুসলিম সেনাবাহিনীকে মার্কিন-ভারতের খেয়ালখুশির দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করার চক্রান্তের প্রতিবাদ করার জন্য জনগণকে আহবান জানান।’ এতে আরো বলা হয়, ‘মার্কিনিরা এই অঞ্চলে খিলাফতের পুনরুত্থান ঠেকাতে এবং একই সঙ্গে চীনকে নিয়ন্ত্রণ করার নীতি অনুসরণ করছে। আর এ কারণেই সে ভারতের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করতে আগ্রহী, যাতে করে সে এ অঞ্চলে তার অবস্থান ও এ অঞ্চলের মুললিম রাষ্ট্রসমূহের উপর তার নিয়ন্ত্রণ আরো সুদৃঢ় করতে পারে। ফলে এই দুই রাষ্ট্র ও ভারতের সাথে বহুদিনের অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর সমাধান করে ভারতের হাতকে উন্মুক্ত করতে বাংলাদেশের সরকার, বিরোধী জোট ও কিছু সেনা নেতৃবৃন্দকে দালাল হিসেবে ব্যবহার করছে।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির শেষে বলা হয়, হিযবুত তাহ্‌রীর বাংলাদেশে ‘খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে’ এবং ‘মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ করবে’।
হিযবুত তাহ্‌রীরের এই বক্তব্য পড়তে গিয়ে বছর দশেক আগে পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধের কথা মনে পড়ে গেল। আমাদের দেশের মৌলবাদী ও ধর্মীয় লেবাসধারী দল ও গোষ্ঠীগুলোর ভাবাদর্শ মূলত পাকিস্তানি। জন্মলগ্ন থেকেই ওই দেশটিতে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে আসছে বিভিন্ন মহল। ২০০১ সালের নভেম্বরে ডনে প্রকাশিত নিবন্ধটির শিরোনাম ছিল ‘প্লেয়িং উয়িদ ফায়ার’ অর্থাৎ আগুন নিয়ে খেলা।
খালিদ হাসানের ওই নিবন্ধে বলা হয়, ‘পাকিস্তান আজ যে সীমাহীন বুদ্ধিবৃত্তিক ও মতাদর্শগত বিভ্রান্তির চোরাবালিতে আটকে পড়েছে সেটা মূলত ওইসব তথাকথিত ধর্মযোদ্ধারই ফসল। পত্রিকার পাতায় এদের আমরা জিহাদি হিসেবেই দেখছি। এরা বজ্রকণ্ঠে নিজেদের এমন এক বিশ্বাসের রক্ষক বলে ঘোষণা করছে, তাদের ভাষায় সেই বিশ্বাস নাকি কাফেরদের দিক থেকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।’ খালিদ হাসান জানান, একটি উর্দু পত্রিকায় রাজা আনোয়ারের একটি লেখা প্রকাশিত হওয়ায় আনোয়ারকে চরম হুমকির মুখে পড়তে হয়। রাজা আনোয়ারের লেখা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে খালিদ হাসান বলেন, “১৯৯১ সালে কুয়েতে আগ্রাসনের পর আমেরিকাকে চ্যালেঞ্জ করে বসলেন সাদ্দাম হোসেন। আমাদের পাঞ্জাবি বুদ্ধিজীবীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে সালাহউদ্দিন আইয়ুবি খেতাবে ভূষিত করলেন। বুদ্ধিবৃত্তির দিক দিয়ে পঙ্গু হয়ে পড়া আমাদের পত্রিকাগুলো এ তথ্য উদ্ঘাটনে একটুও সময় ব্যয় করতে রাজি হলো না যে, সাদ্দামের জন্মও সেই গ্রামটিতে, একদা যেখানে জন্মেছিলেন সেই ইসলামী মহাবীর। এর পরবর্তী দিনগুলোতে আমাদের পত্রপত্রিকার পাতাগুলোতে ঠাসা থাকল সেসব রণাঙ্গনের খবর, যেখানে নয়া জিহাদিরা যুদ্ধে লিপ্ত ছিলেন। সেই যুদ্ধের ফলে ইরাক পরিণত হলো ধ্বংসস্তূপে। আর আরব ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে ঠাঁই করে নিল আমেরিকান সেনাদল। … আমরা হলাম পাকিস্তানি। এখনো আমরা আমাদের পায়ের নিচে মাটি খুঁজে পাচ্ছি; কিন্তু সে দিনটি খুব বেশি দূরে নয়, যেদিন কোনো মুসলিম দেশই আমাদের আশ্রয় দেবে না। বিশ্বাস না করলে আপনারা সবাই মিলে যেকোনো আরব দেশ ঘুরে আসতে পারেন। দেখবেন, মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও কোনো দেশই আপনাকে নাগরিকত্ব তো দূরের কথা, সমমর্যাদাও দেবে না। কোনো আরব দেশেই আমরা একটি বাড়ি বানাতে পারব না, এমনকি ৩০ বছর সেখানে বাস করে একটি নাপিতের দোকানও খুলতে পারব না। … বিশ্বে মুসলিম দেশের সংখ্যা ৫০-এর অধিক। তাদের সবারই রয়েছে নিজস্ব সেনাবাহিনী, আছে নিজস্ব সংস্কৃতি, নিজস্ব সমস্যা ও সম্পদ। এর কোনোটি ধনী, আবার কোনোটি আমাদেরই মতো গরিব। আমাদের বড় বোঝা হলো ঋণ। এমন কোনো মুসলিম দেশ কি আছে, যে আমাদের এ বোঝা লাঘবে সহায়তা করতে আগ্রহী? এর উত্তর যদি হয় ‘না’, তাহলে আল্লাহর দোহাই, দয়া করে এ দেশটিকে আইনের হাত থেকে পলাতক সব লোকের শেষ আশ্রয়স্থলে পরিণত করবেন না। মোল্লাতন্ত্রের গবেষণাগারও বানাবেন না একে। পরিণত করবেন না সাম্প্রদায়িক হানাহানির লীলাভূমিতে। … হামিদ গুল, নাসিম বেগ, কাজী হোসেন আহমেদ গংদের কাছে যে কেউ একটিমাত্র প্রশ্ন রাখতে পারেন- যে উম্মাহর নেতৃত্ব দিতে আপনারা এত উদগ্রীব, তার সন্ধান কোথায় পাওয়া যাবে? নাকি শুধু পাঞ্জাবেই পাওয়া যাবে একে, যেখানে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ আজ এতটাই চরমে পৌঁছেছে যে, একজন শিয়া ও একজন সুনি্ন এক চালার নিচে বাস করতে পারে না, ওয়াহাবি ও বারালভিরা পারে না এক মসজিদে নামাজ পড়তে?” নিবন্ধের শেষে খালিদ হাসান লিখেছিলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য যারা ধর্মের আগুন নিয়ে খেলছেন, তাঁরা সে আগুনেই পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যেতে পারেন।
বাংলাদেশেও একই রকম আগুন নিয়ে খেলার চেষ্টা করা হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী জামায়াত ও রাজাকার-আলবদর শিরোমণিদের বিচার চলছে একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে। কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার এবং হিযবুত তাহ্‌রীরের সাম্প্রতিক বেপরোয়া অপতৎপরতা এই বিচার বানচাল করারই অপচেষ্টা কি না সে প্রশ্নও দেখা দিয়েছে অনেকের মনে। এ প্রশ্ন আরো বেশি করে মনে আসে মানবতাবিরোধী অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক গোলাম আযমের ছেলে নোমান আযমীর সাম্প্রতিক অপতৎপরতা দেখে। মালয়েশিয়ার একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত তাঁর একটি সাক্ষাৎকার কিছুদিন আগে পাওয়া যায় ইউটিউবে। সাক্ষাৎকারে নোমান আযমী বর্তমান সরকার, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (যেখানে তাঁর বাবার বিচার হচ্ছে) এবং ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বানোয়াট সব তথ্য তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্য থেকেও মনে হয়, বুঝিবা ধর্মের ক্ষতি করতেই একাত্তরের ঘাতকদের বিচার করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্মান্ধ নয়। কাজেই, ধর্মের পুরনো জিগির তুলে এ দেশের জনগণকে বিভ্রান্ত করা কঠিন বলেই মনে করি

Advertisements

Leave a comment

Filed under Politics, Uncategorized

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s