আলবদরের প্রধান সংগঠকের ফাঁসির রায়

K Zamanএকাত্তরে আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক, জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে অপহরণ, নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণসহ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এসবের মধ্যে দুটি অভিযোগে তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য দুটি অভিযোগে যাবজ্জীবন এবং আরেকটি অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও মো. শাহিনুর ইসলাম সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ রায় ঘোষণা করে। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার এটি চতুর্থ রায়।
কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে থাকা সাতটি অভিযোগের মধ্যে ১, ২, ৩, ৪ ও ৭ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ৫ ও ৬ নম্বর অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারেনি বলে জানায় ট্রাইব্যুনাল। এ দুটি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেওয়া হয়।
বেলা ১১টা ২০ মিনিটে সংক্ষিপ্ত রায়ের প্রথম অংশ পড়ে শোনান বিচারক মো. শাহিনুর ইসলাম। আসামির পরিচিতি অংশে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুসারে, ১৯৬৭ সালে শেরপুর জি কে এম ইনস্টিটিউশনে দশম শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালে আসামি কামারুজ্জামান ইসলামী ছাত্র সংঘ (জামায়াতের সাবেক ছাত্রসংগঠন) সমর্থন করতে শুরু করেন। জামালপুর আশেক মাহমুদ ডিগ্রি কলেজে তিনি ছাত্র সংঘের হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৭০ সালের শেষে তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহ ছাত্র সংঘের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছিলেন।
কামারুজ্জামান ছিলেন আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক : দুপুর ১২টা ১২ মিনিটে সংক্ষিপ্ত রায়ের ৭৩ অনুচ্ছেদ থেকে পড়া শুরু করেন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া। তিনি বলেন, একাত্তরের ১৬ আগস্ট দৈনিক সংগ্রাম-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ময়মনসিংহের মুসলিম ইনস্টিটিউটে পাকিস্তানের ২৫তম আজাদী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সিম্পোজিয়ামে সভাপতিত্ব করছেন ‘আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক’ কামারুজ্জামান। আসামিপক্ষ পত্রিকাটির ওই প্রতিবেদনের তথ্য খণ্ডন করতে পারেনি। তারা প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারেনি। পাশাপাশি, ওই সময় থেকে আজ পর্যন্ত সংগ্রামকে জামায়াতের দলীয় মুখপত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ জন্য সাক্ষ্য হিসেবে ওই প্রতিবেদনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। এ ছাড়া অধ্যাপক আবু সাইয়িদের বাংলাদেশের স্বাধীনতা: যুদ্ধের আড়ালে যুদ্ধ শীর্ষক বই ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশ কেন্দ্র প্রকাশিত একাত্তরের ঘাতক ও দালালেরা কে কোথায় শীর্ষক বইয়েও কামারুজ্জামানকে ‘আলবদরের প্রধান সংগঠক’ হিসেবে চিহ্নিত করা আছে। এ ছাড়া ১৯৭২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের সহকারী মহাপরিদর্শকের স্বাক্ষরিত তালিকাভুক্ত দালালদের একটি নথিতে বলা হয়েছে, মোহাম্মদ কামারুজ্জামান (তালিকায় ২৮৭ নম্বর) একাত্তরের ২৯ ডিসেম্বর আলবদর হিসেবে ধরা পড়েন এবং তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই সময় আসামির গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা আসামিপক্ষের চতুর্থ সাক্ষী ও কামারুজ্জামানের বড় ভাই স্বীকার করেছেন। একাত্তরের ৩১ ডিসেম্বরের দৈনিক আজাদ, দৈনিক পূর্বদেশ ও দৈনিক বাংলা পত্রিকার প্রতিবেদনেও দেখা যায়, ওই সময়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামি কামারুজ্জামান বৃহত্তর ময়মনসিংহে আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক ছিলেন। এসব নথিপত্র এটাই প্রমাণ করে, তিনি বৃহত্তর ময়মনসিংহে আলবদর বাহিনী গঠন, সদস্যদের সশস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রভৃতি বিষয়গুলো সমন্বয় করতেন।
বিচারপতি মজিবুর রহমান মিয়া এরপর কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে গঠিত সাতটি অভিযোগের মীমাংসা কীভাবে করা হয়েছে, তা পড়ে শোনান।
প্রথম অভিযোগ (বদিউজ্জামান হত্যা): একাত্তরের ২৯ জুন শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার রামনগর গ্রাম থেকে মো. বদিউজ্জামানকে অপহরণ করে আহম্মেদনগর সেনাক্যাম্পে নিয়ে সারা রাত নির্যাতন ও পরদিন গুলি করে হত্যা করা হয়। এ প্রসঙ্গে রায়ে বলা হয়, আলবদরদের সশস্ত্র একটি দল বদিউজ্জামানকে অপহরণ করেন, যাদের উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে হত্যা করা। অপহরণের ঘটনাটি কামারুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন আলবদরের সবাই জানত। প্রাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল বলেন, কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে আলবদরের দলটি কূটকৌশলে বদিউজ্জামানকে অপহরণ করেন এবং আহম্মেদনগর ক্যাম্পে সেনাদের কাছে হস্তান্তর করেন, যার পরিণতি এই আসামি ভালো করেই জানতেন। জেনেশুনে এ কাজ করার মাধ্যমে তিনি হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধে উৎসাহ জুগিয়েছেন, উসকানি দিয়েছেন ও সহায়তা করেছেন।
দ্বিতীয় অভিযোগ (সৈয়দ আবদুল হান্নানের প্রতি অমানবিক আচরণ): আসামি ও তাঁর সহযোগীরা শেরপুর কলেজের অধ্যক্ষ সৈয়দ আবদুল হান্নানকে প্রায় নগ্ন করে শহরের রাস্তায় হাঁটাতে হাঁটাতে চাবুকপেটা করেন। রায়ে বলা হয়, হান্নানের প্রতি অমানবিক আচরণের ঘটনাটি রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যে শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং ওই ঘটনা আসামির পূর্ণ সহযোগিতায় ও জ্ঞাতসারে হয়েছে।
তৃতীয় অভিযোগ (সোহাগপুরে নির্বিচারে হত্যা): রাষ্ট্রপক্ষের ১১, ১২ ও ১৩ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্য অনুসারে একাত্তরের ২৫ জুলাই আলবদর ও রাজাকার বাহিনীর সদস্য এবং পাকিস্তানি সেনারা সম্মিলিতভাবে সোহাগপুর গ্রামে নির্বিচারে হত্যাকাণ্ড ও নারী ধর্ষণ করে। রায়ে বলা হয়, যৌন নির্যাতনের শিকার তিন নারীর সাক্ষ্যে ওই অপরাধের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে। কামারুজ্জামানের কর্মকাণ্ড, আচরণ ও প্রভাবের মাত্রা—সবকিছু মিলিয়ে এ ঘটনায় তাঁর অংশগ্রহণকেই প্রতিষ্ঠা করে। আলবদর নেতা কামারুজ্জামান এখানে ‘উপদেষ্টা’র ভূমিকা পালন করেন এবং তিনি পুরো ঘটনা জানতেন। সোহাগপুরে দলগতভাবে শতাধিক ব্যক্তিকে হত্যা ও নির্বিচার যৌন হামলার দায় নেতৃত্বস্থানীয় কামারুজ্জামানের ওপর পড়ে। রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগটি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।
চতুর্থ অভিযোগ (মোস্তফা হত্যা): রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় ও পঞ্চম সাক্ষীর সাক্ষ্য সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে, মুক্তিযুদ্ধকালে আলবদর সদস্যরা গোলাম মোস্তফাকে অপহরণ করে সুরেন সাহার বাড়িতে স্থাপিত আলবদর ক্যাম্পে নিয়ে যায়। রাষ্ট্রপক্ষের দ্বিতীয় সাক্ষী মোহন মুন্সির ‘স্যারের হাত এখন সই হইছে, এখন সাহস হইছে, বন্দুক চালাইতে পারে’—এ বক্তব্য গোলাম মোস্তফা হত্যায় কামারুজ্জামানের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রমাণের জন্য যথেষ্ট।
পঞ্চম অভিযোগ (আহম্মেদনগর ক্যাম্পে হত্যা): ঝিনাইগাতীর আহম্মেদনগর সেনাক্যাম্পে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগটি প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ক্যাম্পে বন্দী ১১ জনের মধ্যে তিনজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়, বাকি আটজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষের ১৪তম সাক্ষীর সাক্ষ্য অনুসারে, ঘটনার দিন কামারুজ্জামানের নির্দেশে চারজন বন্দীকে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের ৭ ও ১৪ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্যে এ অভিযোগ প্রমাণিত হয় না।
ষষ্ঠ অভিযোগ (টুনু হত্যা): টুনু হত্যার জন্য কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটিও রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে পারেনি। রায়ে বলা হয়, রাষ্ট্রপক্ষের প্রথম সাক্ষী বলেছেন, আসামি ময়মনসিংহের জেলা কাউন্সিল ডাকবাংলোয় স্থাপিত আলবদর ক্যাম্পে যাতায়াত করতেন এবং রাতের বেলা বিভিন্ন অভিযানে যেতেন। টুনুকে ওই আলবদর ক্যাম্পে নিয়ে হত্যার অভিযোগ প্রমাণের জন্য এ বক্তব্য যথেষ্ট নয়। এ ছাড়া অনির্দিষ্ট কারও কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে ওই সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন, যার ওপর ভিত্তি করে কাউকে অপরাধের জন্য দায়ী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না।
সপ্তম অভিযোগ (দারাসহ ছয়জনকে হত্যা): রাষ্ট্রপক্ষের নবম সাক্ষীর সাক্ষ্য অনুসারে, দারা ও তাঁর বাবা টেপা মিয়াকে অপহরণ করে আলবদর সদস্যরা জিলা পরিষদ ডাকবাংলোর আলবদর ক্যাম্পে নিয়ে যায়। প্রথম সাক্ষী বলেছেন, ওই ক্যাম্পে ২০-৩০; কখনো ৪০ জন আলবদর সদস্য অবস্থান করতেন। নবম সাক্ষী বলেছেন, কামারুজ্জামানের নেতৃত্বে আলবদররা প্রায়ই ওই ক্যাম্পসংলগ্ন নদীর ঘাটে নিয়ে গুলি করে লোকজনকে হত্যা করতেন। রাষ্ট্রপক্ষের ১৫তম সাক্ষী বলেছেন, কামারুজ্জামানকে প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্রসহ তাঁর ক্যাম্প কার্যালয়ে দেখা যেত। এসব সাক্ষ্যের বিশ্লেষণ করে রায়ে বলা হয়, ওই ক্যাম্পে সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পদ্ধতি কামারুজ্জামান পরিচালনা করতেন। ওই পদ্ধতির মধ্যেই দারা ও টেপা মিয়াকে অপহরণ এবং পরে দারাকে হত্যা করা হয়।
দুপুর একটা ১৪ মিনিটে রায়ের শেষ অংশ পড়া শুরু করেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান তুলে ধরেন। এরপর তিনি কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোতে ‘ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়’ নিয়ে আলোচনা করেন।
রায়ে বলা হয়, ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায় বেসামরিক নেতাদের ওপরও বর্তায়। কারণ, অধস্তন বা প্রকৃত অপরাধীদের ওপর তাঁদের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ থাকে। এটা প্রমাণিত যে, অপরাধগুলো সংঘটিত হয়েছে দুটি আলবদর ক্যাম্পে বা আলবদর সদস্যদের মাধ্যমে অথবা আহম্মেদনগর সেনাক্যাম্প থেকে। আলবদর ক্যাম্পগুলোতে বা আলবদর সদস্যদের ওপর কামারুজ্জামানের দৃঢ় নিয়ন্ত্রণ ছিল। আলবদরকে মনে করা হতো পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দল জামায়াতের ‘অ্যাকশন সেকশন’। কামারুজ্জামান অপরাধ করতে আলবদর বাহিনীর সদস্যদের পরিচালনা করেছেন, পরিকল্পনা করেছেন, পরামর্শ, উসকানি ও নৈতিক সমর্থন দিয়েছেন।
সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, উল্লিখিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনাগুলো ঘটে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বেসামরিক নিরস্ত্র মানুষকে লক্ষ্য করে। ১, ২, ৩, ৫ ও ৬ নম্বর অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনা ঘটে একাত্তরের ২৬ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে, ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ শুরু হওয়ার এক মাসের মধ্যে। শুধু চতুর্থ অভিযোগের ঘটনাকাল ২৫ নভেম্বর।
কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে পঞ্চম ও ষষ্ঠ অভিযোগ ছাড়া বাকি পাঁচটি অভিযোগে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। প্রথম, তৃতীয়, চতুর্থ ও সপ্তম—এই চারটি অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে হত্যায় সংশ্লিষ্টতা বা সহযোগিতার জন্য এবং দ্বিতীয় অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে অমানবিক আচরণের দায়ে কামারুজ্জামানকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
শাস্তি : শাস্তির বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, সোহাগপুর গ্রামে নির্বিচার হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনাটি চরম হিংস্র প্রকৃতির ছিল। আসামি তাঁর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে তাঁর অংশগ্রহণ প্রমাণ করেছেন।
হত্যাযজ্ঞের পাশাপাশি নির্বিচার যৌন নিপীড়ন মানবিকতাবোধকে উৎখাত ও ধ্বংস করেছে, যার দায় আসামিকে নিতে হবে। অপরাধে অংশগ্রহণের মাত্রা বিবেচনা করে ট্রাইব্যুনাল মনে করেন, তৃতীয় ও চতুর্থ অপরাধের দায়ে আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া না হলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে না।
চূড়ান্ত আদেশে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন, ১৯৭৩-এর ২০(২) ধারা অনুসারে তৃতীয় ও চতুর্থ অভিযোগে কামারুজ্জামানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হলো। প্রথম ও সপ্তম অভিযোগে অপরাধের গভীরতা ও আনুপাতিকভাবে আসামির সংশ্লিষ্টতা বিবেচনা করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দ্বিতীয় অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো।

Advertisements

Leave a comment

Filed under Bangladesh, Crimes against huminity

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s