সাকা নাকি দেশেই ছিলেন না, তাহলে আহত হয়েছিল কে?

মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ছিলেন না বলে দাবি করেছেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সোমবার এই দাবি করেন বিএনপির এই নেতা, যাকে একাত্তরে প্রত্যক্ষভাবে নির্যাতন চালাতে দেখার কথা ট্রাইব্যুনালে বলেছেন রাষ্রট্রপক্ষের সাক্ষীরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সোমবার অষ্টম দিনের মতো সাক্ষ্য দেন সাকা। তিনি বলেন, একাত্তরের ২৯ মার্চ বিকালে করাচির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছিলেন তিনি। অক্টোবর পর্যন্ত পাকিস্তানে থেকে তারপর লন্ডন চলে যান তিনি এবং ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যেই ছিলেন। তিনি আরো বলেন, ২৯ মার্চ তাকে তেজগাঁও বিমানবন্দরে পৌঁছে দেন চাচাত ভাই কাইয়ুম রেজা চৌধুরী। সন্ধ্যায় তিনি করাচি বিমানবন্দরে নামলে তাকে নিতে আসেন তার স্কুলজীবনের বন্ধু মুনীব আর্জুমান্দ খান এবং মাহমুদ হারুনের (ডন গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সের কর্ণধার) ব্যক্তিগত সহকারী। করাচিতে তিন সপ্তাহ অবস্থানকালে মাহমুদ হারুনের বাড়িতে ছিলেন বলে জানান সালাউদ্দিন কাদের। সালাউদ্দিন কাদের বলেন, করাচিতে থাকার সময় সালমান এফ রহমান, নিজাম আহমেদ, কাইয়ুম রেজা চৌধুরী, আরিফ জিওয়ানি, ওসমান সিদ্দিক ও রেজাউর রহমানের সঙ্গে তার চলাফেরা ছিল। তিনি বলেন, ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার নিয়ে মে মাসে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। তখন নটরডেম কলেজে পড়াকালীন বন্ধু হাসনাইন খুরশেদের সঙ্গে তার দেখা হয় এবং দুজনই দীর্ঘসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে কাটাতেন। সালাউদ্দিন কাদের বলেন, একাত্তরের অগাস্ট মাসে তিনি মারিতে বেড়াতে যান এবং সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তিনি লাহোরে ফিরে আসেন।

এর আগে ২০১০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের তদন্তদলের সদস্যরা চট্টগ্রামে গিয়ে সাকা চৌধুরীর অপরাধের তথ্যপ্রমাণ ও সাক্ষ্য সংগ্রহ করে। একইদিন সাকা চৌধুরী চট্টগ্রামে তার বাসা গুডস হিলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তদন্তকারীরা যা বলছেন তার কোনো ভিত্তি নেই। কারণ একাত্তরের এপ্রিলেই তিনি পাকিস্তান চলে গিয়েছিলেন।তিনি বলেন, “এপ্রিল মাসে আমি পাকিস্তান চলে যাই। পাঞ্জাবে রশীদে ভর্তি হলাম।… আরলি এপ্রিলই তো হবে। কারণ ৮ তারিখ আমি গ্রাম থেকে এসেছি, আরলি এপ্রিলই হবে।” এ সংবাদ তখন প্রচারিত হয় দেশ টিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে।
এছাড়া সাকা চৌধুরী যে মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশেই ছিলেন এবং সেপ্টেম্বরে মুক্তিবাহিনীর অভিযানে আহত হয়েছিলেন তার প্রমাণ আছে একাত্তরের এসবি রিপোর্টে এবং পত্রিকায়।
দেখুন
https://chandan64kalantor.wordpress.com/2012/04/06/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B9/

Advertisements

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s