Category Archives: Bangladesh liberation war

সত্যকে মিথ্যা প্রমাণ করার নিষ্ফল চেষ্টা সাকার

S Q injuredমুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দেশে ছিলেন না- এ কথা প্রমাণ করার হাজারো চেষ্টা করেছেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী (সাকা চৌধুরী)। কিন্তু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে সাকার সেই কথা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সাকা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় চট্টগ্রামে অবস্থান করছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে। সেখানে তাঁর উপস্থিতির বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে রায়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity, War crimes

বেঁচে থাকলে খুশি হতেন বদি-রুমিদের মায়েরা

Jahanara Imam-Rawshanara১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ বাংলাদেশে হানাদার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে বেশি ছিল রাজধানী ঢাকায়। নগরীতে সেনাবাহিনীর সার্বক্ষণিক টহল তো ছিলই, তার ওপর নগরবাসীর কাছে আরেক আতঙ্ক ছিল অবাঙালি বিহারিরা। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ভাষায়, ‘প্রায় প্রায়ই গুজবের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে- মোহাম্মদপুর-মিরপুর থেকে বিহারিরা দলে দলে বেরিয়ে পড়ে এদিকপানে আসবে। একটা তাৎক্ষণিক হৈচৈ পড়ে যায় চারপাশে।’ পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী, বিহারি আর স্থানীয় রাজাকার-আলবদরদের হাতে পুরোপুরি নজরবন্দি অবস্থায় ছিল ঢাকায় থেকে যাওয়া বাঙালিরা। এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশ- রাত নামলেই ব্ল্যাকআউট, কারফিউ আর বাড়ির দরজায় আতঙ্কজনক কড়ানাড়া, বাড়ি বাড়ি তল্লাশি। এমন এক অবরুদ্ধ, অন্ধকার, আতঙ্কের নগরীতে একরাশ আলোর ঝলকানি ছড়িয়ে দিয়েছিলেন একদল মুক্তিপাগল মেধাবী তরুণ বাঙালি। তাঁদের দলের নাম ছিল ক্র্যাক প্লাটুন। অনেকেই বলত ‘বিচ্ছু বাহিনী’। বদি, রুমী, জুয়েল, স্বপন, কামাল, আজাদ, আলম, আলতাফ মাহমুদ… একঝাঁক উজ্জ্বল তারকা নিয়ে গঠিত হয়েছিল সেই বিচ্ছু দল। তাঁদের কেউ নামকরা ছাত্র, কেউ সুরকার, কেউ খেলোয়াড়। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity, History

সাকা নাকি দেশেই ছিলেন না, তাহলে আহত হয়েছিল কে?

মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশে ছিলেন না বলে দাবি করেছেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিজের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সোমবার এই দাবি করেন বিএনপির এই নেতা, যাকে একাত্তরে প্রত্যক্ষভাবে নির্যাতন চালাতে দেখার কথা ট্রাইব্যুনালে বলেছেন রাষ্রট্রপক্ষের সাক্ষীরা। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সোমবার অষ্টম দিনের মতো সাক্ষ্য দেন সাকা। তিনি বলেন, একাত্তরের ২৯ মার্চ বিকালে করাচির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছিলেন তিনি। অক্টোবর পর্যন্ত পাকিস্তানে থেকে তারপর লন্ডন চলে যান তিনি এবং ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত তিনি যুক্তরাজ্যেই ছিলেন। তিনি আরো বলেন, ২৯ মার্চ তাকে তেজগাঁও বিমানবন্দরে পৌঁছে দেন চাচাত ভাই কাইয়ুম রেজা চৌধুরী। সন্ধ্যায় তিনি করাচি বিমানবন্দরে নামলে তাকে নিতে আসেন তার স্কুলজীবনের বন্ধু মুনীব আর্জুমান্দ খান এবং মাহমুদ হারুনের (ডন গ্রুপ অব পাবলিকেশন্সের কর্ণধার) ব্যক্তিগত সহকারী। করাচিতে তিন সপ্তাহ অবস্থানকালে মাহমুদ হারুনের বাড়িতে ছিলেন বলে জানান সালাউদ্দিন কাদের। সালাউদ্দিন কাদের বলেন, করাচিতে থাকার সময় সালমান এফ রহমান, নিজাম আহমেদ, কাইয়ুম রেজা চৌধুরী, আরিফ জিওয়ানি, ওসমান সিদ্দিক ও রেজাউর রহমানের সঙ্গে তার চলাফেরা ছিল। তিনি বলেন, ওই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার নিয়ে মে মাসে পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন তিনি। তখন নটরডেম কলেজে পড়াকালীন বন্ধু হাসনাইন খুরশেদের সঙ্গে তার দেখা হয় এবং দুজনই দীর্ঘসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে কাটাতেন। সালাউদ্দিন কাদের বলেন, একাত্তরের অগাস্ট মাসে তিনি মারিতে বেড়াতে যান এবং সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তিনি লাহোরে ফিরে আসেন। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity

রাজাকার প্রতিষ্ঠাতা ইউসুফের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ

Azad 10-5-71একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ করেছে তদন্ত সংস্থা। সোমবার বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত সংস্থার সদস্য মো. হেলালউদ্দিন। এর আগে দুপুরে ধানমণ্ডিতে তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য জানানো হয়।
ইউসুফের বিরুদ্ধে একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মোট ১৫টি ঘটনায় তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “মুক্তিযুদ্ধকালে রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা এ কে এম ইউসুফের বিরুদ্ধে আমরা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৫টি অভিযোগ এনেছি। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইউসুফের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল এবং তাকে গ্রেপ্তারের আবেদন করার জন্য আমরা অনুরোধ জানাব।” Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity

Shahbag Movement in World Media

Philip Hensher writes in the London based The Independent  on the Shahbag movement. The article titled ‘The war Bangladesh can never forget’ published on 19 February 2013. Philip Hensher writes, Bangladesh’s capital Dhaka is a noisy, exciting city, full of energy and argument. The massive chaos of its constantly stationary traffic is often riven by protests, strikes, marches. These can be on any number of grievances. But this is a country driven by a national agony at its creation which has never been fully addressed. The protest now happening outside the national museum is of an unprecedented nature, and on an unprecedented scale. Continue reading

1 Comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity

বাংলাদেশের পথে বেলুচিস্তান?

একচল্লিশ বছর হয়ে গেছে। ৪১ বছর আগে পাকিস্তান দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ৪১ বছর পর পাকিস্তানের আরেকটি অংশ বেলুচিস্তান যেন আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় একই ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিজয়ের ৪১ বছর পূর্তিতে আজ রবিবার পাকিস্তানের ‘দি এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’ পত্রিকার ব্লগে দেশটির তরুণ মেডিকেল শিক্ষার্থী আবদুল মাজিদ এসব কথা লিখেছেন। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh, Bangladesh liberation war, History

৬০ বিদেশি বন্ধুকে সম্মাননা

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন যেসব বিদেশি বন্ধু, বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত, তাঁদের আজ সম্মাননা জানিয়েছে দেশ। বিজয় দিবসের এক দিন আগে আজ শনিবার ৬০ জন বিদেশি বন্ধু ও দুটি বিদেশি সংগঠনকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্মাননা জানানো হয়। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতা অর্জনে ভূমিকা রাখা বিদেশি বন্ধুদের হাতে সম্মাননা ও সনদ তুলে দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি থাকতে পারেননি।
সম্মাননা দেওয়া হয়েছে কমিউনিস্ট আন্দোলনের নেত্রী ও নাচোলের রানিমা হিসেবে পরিচিত ইলা মিত্র, তাঁর স্বামী রমেন মিত্র, গণসংগীতশিল্পী সলিল চৌধুরী, সংগীতশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও মান্না দে, চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক, কবি ও সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, চিত্রশিল্পী মকবুল ফিদা হুসেনসহ আরও অনেককে। তাঁদের পক্ষে পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন।সম্মাননাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি হলো ভারতের জিবি হাসপাতাল ও রাশিয়ার প্রাভদা।
একাত্তরে ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিদেশি বন্ধুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের এখনকার লড়াই হল ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লড়াই। এজন্য, বাংলাদেশের বন্ধুদের সহায়তা প্রয়োজন।”

Leave a comment

Filed under Bangladesh, Bangladesh liberation war