Category Archives: War crimes

সত্যকে মিথ্যা প্রমাণ করার নিষ্ফল চেষ্টা সাকার

S Q injuredমুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি দেশে ছিলেন না- এ কথা প্রমাণ করার হাজারো চেষ্টা করেছেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী (সাকা চৌধুরী)। কিন্তু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায়ে সাকার সেই কথা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। সাকা ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় চট্টগ্রামে অবস্থান করছিলেন বলে প্রমাণিত হয়েছে। সেখানে তাঁর উপস্থিতির বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে রায়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity, War crimes

রাজাকার বাহিনী প্রতিষ্ঠা : দলিল নেই কারো হাতেই!

Azad 10-5-71একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে প্রায় সব মামলায়ই রাষ্ট্রপক্ষ বা প্রসিকিউশন দাবি করেছে, ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে খুলনায় জামায়াত নেতা এ কে এম ইউসুফ রাজাকার বাহিনী প্রতিষ্ঠা করেন। তদন্ত সংস্থাও প্রতিবেদনে এ রকম তথ্যই দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হিসেবে কয়েকজন গবেষকও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব‌্যুনালে একই কথা বলেছেন এ বিষয়ে। আর আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও সবার কাছেই জানতে চেয়েছেন এ ধরনের কোনো তথ্য ১৯৭১ সালে কোনো পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল কি না। তদন্ত কর্মকর্তা, প্রসিকিউটর, গবেষক- সবাই বলেছেন, ‘জানা নেই’। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity, War crimes

গো আযমের বিরুদ্ধেও সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছে না!

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষী না পাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে গত মার্চে ৪৬ সাক্ষীকে হাজির না করে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে তাদের দেওয়া বক্তব্যই সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ তথা প্রসিকিউশন। ২৭ মার্চ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম পরিবেশিত খবর অনুযায়ী, আবেদনের পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী বলেন, এই সব সাক্ষীদের পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশও তাদের সন্ধান দিতে পারছে না। কয়েকজন সাক্ষী অসুস্থ এবং কয়েকজন নিরুদ্দেশ জানিয়ে প্রসিকিউটর হায়দার আলী বলেন, “কয়েকজনকে খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় (পিরোজপুর) পুলিশও তাদের সন্ধান জানাতে পারছেন না। পুলিশ বলছে, তারা হয়ত পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন।” সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলায় ট্রাইব্যুনালের কাছে ৬৮ সাক্ষীর তালিকা দিয়েছিল রাষ্ট্রপক্ষ।
মানবতাবিরোধী অপরাধের নাটের গুরু কপট ধার্মিক গোলাম আযমের বিরুদ্ধে মামলায়ও নাকি এখন সাক্ষী পাওয়া যাচ্ছে না! এর চেয়ে ভয়াবহ খবর অর কী হতে পারে! Continue reading

Leave a comment

Filed under Crimes against huminity, War crimes

আলবদেরর হোতা মুজাহিদের বিচার শুরু : গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সাত অভিযোগ

মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার অভিযুক্ত হলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ গতকাল ২১ জুন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দেয়। আগামী ১৯ জুলাই রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্য গ্রহণ শুরুর দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল। একাত্তরে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও দেশত্যাগে বাধ্য করার সাত ঘটনায় মুজাহিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মুজাহিদের বিচার শুরু হলো। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে গঠিত দুটি ট্রাইব্যুনালে এ নিয়ে আটটি মামলার বিচার শুরু হলো। Continue reading

Leave a comment

Filed under Crimes against huminity, War crimes

নূতন চন্দ্রের ছেলের জবানবন্দি : বাবাকে তিনটি গুলি করেন সাকা চৌধুরী

দানবীর নূতন চন্দ্র সিংহ হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে তাঁর ছেলে প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ আজ ২০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বলেছেন, ‘একাত্তরের ১৩ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টার মধ্যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী পাকিস্তানি সৈন্যদের সঙ্গে নিয়ে কুণ্ডেশ্বরীতে আমাদের বাসভবনে ঢুকে আমার বাবাকে হত্যা করেন। তারা আমার বাবাকে মন্দির থেকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে, তিনি তখন ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী তাকে তিনটি গুলি করেন।’ প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জবানবন্দিতে বলেন, বাবাকে নৃশংসভাবে হত্যার কথা আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে নূতন চন্দ্র নিজে দেশে থেকে গেলেও সন্তানদের ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। Continue reading

Leave a comment

Filed under Crimes against huminity, War crimes

আল-বদরের আরেক চাঁই মীর কাসেম আলী অবশেষে গ্রেপ্তার

একাত্তরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের নির্বাহী কমিটির সদস্য ধনকুবের মীর কাসেম আলীকে গ্রেফতার করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ হাজির করা হয়েছে। আজ ১৭ জুন বিকেল ৩টা ৪৮ মিনিটে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) র্র্যাব ও পুলিশ একযোগে মতিঝিলে দৈনিক নয়া দিগন্ত অফিসে যায়। এরপর মীর কাসেমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিকেল চারটার পর তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। মীর কাসেম আলী দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের চেয়ারম্যান। আলবদরের এই চাঁইকে আরো আগেই গ্রেপ্তার করা দরকার ছিল। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এ ক্ষেত্রে গড়িমসি করতে দেখা যায় সরকারকে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, সরকার চাইছিল মীর কাসেমকে দিয়ে জামায়াতে ভাঙন ধরাতে। কিন্তু সে কাজে সফলতা আসেনি মোটেও। তবে এ সুযোগে সরকারি মহলের কারো কারো পকেট বেশ ভারী হয়েছে বলে গুঞ্জন আছে। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity, War crimes

রাজাকার নিয়ে বিরোধ দালালে দালালে

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী ও রাজাকার-আলবদরদের নৃশংসতা এমন পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছিল যে স্থানীয় অন্য দালালরাও তা পুরোপুরি মেনে নিতে পারেনি। হানাদার পাকিস্তান বাহিনীর সহযোগী হওয়া সত্ত্বেও নূরুল আমীনের নেতৃত্বাধীন পিডিপি দেশের জনগণের ওপর জামায়াতে ইসলামী ও রাজাকার বাহিনীর অত্যাচার, নির্যাতন, খুন, জখম, লুটতরাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। ওই সময় পূর্ব পাকিস্তান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে পাঠানো গোপন রিপোর্টে এর প্রমাণ রয়েছে। Continue reading

Leave a comment

Filed under Bangladesh liberation war, Crimes against huminity, History, War crimes